পদ্মাসেতু দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের মামলার সব আসামিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে ফাইনাল রিপোর্ট দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ রোববার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ জহিরুল হকের আদালত আসামিদের অব্যাহতি দেয়।
এর আগে ৩ সেপ্টেম্বর দুদক এই মামলায় ৭ আসামিকেই অভিযোগ থেকে অব্যাহতির সুপারিশ অনুমোদন করে।
পরে ১৪ সেপ্টেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
জানা যায়, ২০১২ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানী থানায় কানাডার প্রতিষ্ঠান এসএনসি-লাভালিনকে পদ্মাসেতুর পরামর্শকের কাজ পাইয়ে দিতে ‘ঘুষ লেনদেন ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগে দুদক ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে ।
এ মামলার ৭ আসামি হলেন, সাবেক সেতু সচিব মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া, কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান এসএনসি লাভালিনের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কেভিন ওয়ালেস,
সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইল ও আন্তর্জাতিক প্রকল্প বিভাগের সাবেক ভাইস প্রসিডেন্ট রমেশ শাহ, পদ্মা সেতুর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিয়োগে দরপত্র মূল্যায়নে গঠিত কমিটির সদস্য সচিব কাজী ফেরদৌস,
সড়ক ও জনপথের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী রিয়াজ আহমেদ জাবের ও এসএনসি-লাভালিনের স্থানীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড প্ল্যানিং কনসালট্যান্ট কোম্পানি লিমিটেডের উপ মহাব্যবস্থাপক মো. মোস্তফা।
ওই মামলায় সন্দেহভাজন আসামি ছিলেন, মহাজোট সরকারের সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন এবং সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী। কিন্তু তদন্ত প্রতিবেদনে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি বলে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে দুদক চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের বলেন, মিডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের উপর ভরসা করে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।
পরে বিশ্বব্যাংকের আশ্বাসে আরো কিছ তথ্য উপাত্ত পাবার আশায় ২০১২ সালে ডিসেম্বর মাসে দুদক মামলা দায়ে করে।
কিন্তু দীর্ঘ তদন্তে অভিযোগের প্রমাণাদি না পাওয়ায় ওই মামলার ৭ আসামিই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
একে/ এআর





