দুর্নীতির মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. এইচ বি এম ইকবালের স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিম্ন আদালতের দেয়া সাজার কার্যকারিতা স্থগিত করে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ।
রবিবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই আদেশ দেয়।
এর ফলে ইকবালের স্ত্রী মমতাজ বেগম, দুই ছেলে মঈনুদ্দিন ইকবাল, ইমরান ইকবাল ও এক মেয়ে নওরিন ইকবালকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।
আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান।
আইনজীবী সূত্রে জানা যায়, দুদকের মামলায় ২০০৮ সালে এইচ বি এম ইকবাল, তার স্ত্রী মমতাজ বেগমসহ দুই ছেলে ও এক মেয়েকে সাজা দেয় বিশেষ আদালত।
এইচ বি এম ইকবাল নিম্ন আদালতে ২০১০ সালে আত্মসমর্পণ করেন এবং পরের বছর হাইকোর্ট তাকে খালাস দেন।
তবে তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও মেয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করেননি। হাইকোর্টে তাদের সাজার কার্যকারিতা স্থগিত হয়, যার মেয়াদ শেষ হয় ২০১০ সালের নভেম্বরে।
ছয় বছর পর নতুন করে স্থগিতাদেশ চাইলে গত ১৮ অক্টোবর হাইকোর্ট সাজা আরো ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন।
দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, ঐ চারজনের সাজার ওপর সর্বশেষ স্থগিতাদেশ স্থগিত চেয়ে ১৫ নভেম্বর আদালতে আবেদন করে দুদক। ১৬ নভেম্বর চেম্বার জজ আদালত ১৮ অক্টোবরের স্থগিতাদেশটি স্থগিত করেন।
আজ নিম্ন আদালতে সাজার ওপর হাইকোর্টের দেয়া স্থগিতাদেশ তুলে নেন।
বিশেষ জজ আদালত অসাধু উপায়ে সম্পদ অর্জনের দায়ে ২০০৮ সালে এইচ বি এম ইকবালকে ১০ বছর, মিথ্যা সম্পদ বিবরণী দাখিলের কারণে আরো তিনবছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েকে তিন বছর করে কারাদণ্ড দেন এবং প্রত্যেককে জরিমানা এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।
এমবি





