রাডার ক্রয়-সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করে রাডার ক্রয়ে দুর্নীতির কথা অস্বীকার করলেন এরশাদ।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে এরশাদ ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে মামলার আত্মপক্ষ শুনানিতে রাডার ক্রয়ে দুর্নীতিতে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেন। মামলার অপর দুই আসামি বিমানবাহিনীর সাবেক সহকারী প্রধান মমতাজ উদ্দিন আহমেদ এবং সুলতান মাহমুদও দুর্নীতিতে জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। এ মামলার আরেক আসামি এ কে এম মুসা শুরু থেকেই পলাতক আছেন। বিচারক মো. আবদুর রশিদ ২৯ মে যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, তৎকালীন বিমানবাহিনী প্রধান সদর উদ্দিন আহমেদ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাছে বাহিনীর জন্য যুগোপযোগী রাডার ক্রয়ের আবেদন করেন। জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় ফ্রান্সের থমসন সিএসএফ কোম্পানির নির্মিত অত্যাধুনিক একটি হাই পাওয়ার রাডার ও দুইটি লো লেভেল রাডার ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
কিন্তু তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এরশাদসহ অপর আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে আর্থিক সুবিধা নিয়ে ফ্রান্সের থমসন সিএসএফ কম্পানির অত্যাধুনিক রাডার না কিনে বেশি দামে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্টিং কম্পানির রাডার কিনেন। এতে সরকারের ৬৪ কোটি ৪ লাখ ৪২ হাজার ৯১৮ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছিল বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
[b]ঢাকা, ১৫ মে (টাউইমনিউজ.কম)//এনএস
[/b]