বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ২৯ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির আগামী ৭ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। সচিবালয়ে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় শাহবাগ থানায় দায়ের করা মামলার এ আদেশ দেন আদালত।
মঙ্গলবার মামলার অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলায় অভিযুক্ত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ অন্যদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির না করায় ঢাকা মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৫-এর বিচারক এইচ এম হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া এ নতুন দিন ধার্য করে আদেশ দেন।
এ মামলার অভিযুক্তরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, রুহুল কবির রিজভী, স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, ঢাকা মহানগর বিএনপির তৎকালীন সদস্যসচিব আবদুস সালাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, যুবদলের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নীরব, সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া, শাম্মী আক্তার শিফা, রেহানা আক্তার রানু, নিলোফার চৌধুরী মনি, ছাত্রদলের তৎকালীন সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, প্রাক্তন সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবদুল মতিন, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার, যুবদলের সহদফতর সম্পাদক কামরুজ্জামান দুলাল, বিএনপির প্রাক্তন নির্বাহী কমিটির সদস্য কামরুজ্জামান রতন, মোরতাজুল করিম বাদরু, রেহানা আক্তার ডলি ওরফে রেহানা ইয়াসমিন ডলি ও মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন ভূঁইয়া ওরফে বাদল।
২০১২ সালের ২৯ এপ্রিল সচিবালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এ ঘটনায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ২৯ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করে পুলিশ।
এএইচ





