রাজধানীর কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ উল্লাহ ও তাঁর গাড়িচালক হারুন হত্যা মামলায় ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল কবির এ আদেশ দেন।
মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- রায়হান খোকন, জাকির হোসেন ওরফে কালা জাকির, মো. জাভেদ ওরফে প্রিন্স, আরিফ হোসেন, মো. জুম্মন ও হীরা।
অপরদিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন- শরিফুল ও আমির হোসেন। এছাড়া আরোও চার আসামি বেকসুর খালাস পেয়েছেন। তারা হলেন-শাহ আলম প্রধানিয়া, শফিকুল আলম ওরফে সুমন, ইমন ওরফে কালু মিয়া ও মিলন মোড়ল।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) তাপস কুমার পাল বিষয়টি জানিয়েছেন।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে রাজধানীর কদমতলী থানাধীন কমিশনার রোড এলাকার মিষ্টি পট্টির কাছে কাকলী পাঠাগারের সামনের রাস্তায় মোহাম্মদ উল্লাহ এবং তাঁর গাড়িচালক হারুনুর রশিদকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরবর্তী সময়ে ওই ঘটনায় নিহত মোহাম্মদ উল্লাহর স্ত্রী কোহিনুর বেগম কদমতলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর পর একই বছরের ৩১ অক্টোবর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার ( ডিবি) উপকমিশনার (ডিসি) রুহুল আমিন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের (সিএমএম) আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
২০১২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলাটির আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু করনে। এর পরে বিচারক রাষ্ট্রপক্ষের ২৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আসামিদের সাজা দেওয়া হলো।
এমই





