মহাজোট সরকারের প্রভাবশালী সাবেক ২ প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান এক এমপির বিরুদ্ধে বিপুল পরিমান অবৈধ সম্পদের অভিযোগে পৃথক ৩ মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর রমনা মডেল থানায় মামলা ৩টি (মামলা নং- ৩৫, ৩৬, ৩৭) করা হয়। দুদকের মামলার ৩ আসামি হলেন; কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের এমপি আবদুর রহমান বদি, পটুয়াখালী-৪ আসনের এমপি ও সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান এবং সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান খান।
জানা যায়, এ আসামিরা দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে সম্পদের তথ্যগোপন, মিথ্যা তথ্য প্রদান এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত বিপুল পরমান অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন।
এঅভিযোগে তাদের বিরুদ্ধেদুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২), ২৭(১) ধারায় মামলা ৩টি দায়ের করা হয়।
দুদকের উপ পরিচালক নাসির উদ্দিন ৩৫ নম্বর মামলায় আসামি সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাপভোকেট আবদুল মান্নান খানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহিভুত সম্পদ ৭৫ লাখ ৪ হাজার ২৬২ টাকাএবং ৪ লাখ৫৯ হাজার৫৯৭ টাকার তথ্য গোপনের অভিযোগ আনেন।
দুদকের উপ-পরিচালক আব্দুস সোবাহানের দায়ের করা ৩৭ নম্বর মামলার আসামি কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের এমপি আবদুর রহমান বদি। তার বিরুদ্ধে ১০ কোটি ৮৬ লাখ ৮১ হাজার ৬৬৯ টাকার তথ্য গোপন এবং১ কোটি ৯৮ লাখ ৩ হাজা ৩৭৫ টাকার জ্ঞাত আয় বহিভুত সম্পদ অর্জন করেছেন।
উপ পরিচালক খায়রুল হুদার দায়ের করা ৩৬ নম্বর মামলার আসামি পটুয়াখালী-৪ আসনেরবর্তমান এমপি ওসাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান। তার বিরুদ্ধে ৫ কোটি সাড়ে ১৯ লাখ টাকার জ্ঞাত আয় বহিভুত সম্পদ এবং ১ কোটি ২৪লাখ ৪০ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।
জানা যায়, দুদকের এ মামলার ৩ আসামি গত ২০০৮ ওগত ২০১৩ সালে জাতীয় নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনে তারা হলফনামায় সম্পদের হিসেব জমা দেয়। তাদের জমা দেয়াসম্পদ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধির কারণ খতিয়েদেখেন দুদক অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তারা।
দুদক কর্মকর্তারা রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানি, সংশ্লিষ্ট জেলা রেজিস্ট্রার অফিস, এনবিআর, বিআরটিএ, রাজউক, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি, রিহ্যাব, ব্যাংক-বীমাসহ অন্যান্য অফিসে অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করে সম্পদের হিসাব নির্ণয় করেছেন। পাশাপাশি অভিযুক্তদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন করেন অনুসন্ধান কর্মকর্তারা।
ঢাকা, একে, ২১ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেই, এআর





