ঢাকা ওয়াসার দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাজনৈতিক নেতা ও দালালদের যোগসাজশের মাধ্যমে পানি সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করছে।
আর এজন্য কোথাও পানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার অভিযোগ করা হলেও কোন প্রকার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় টিআইবি’র কার্যালয়ে রোববার দুপুরে ‘বাংলাদেশের পানি ব্যবস্থাপনায় শুদ্ধাচার: বর্তমান প্রেক্ষিত ও উন্নয়ন সম্ভাবনা’ বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শেখ তৌহিদুল ইসলাম।
ট্রান্সপারেসি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি), বাংলাদেশ ওয়াটার ইন্টিগ্রিটি নেটওয়ার্ক (বাউইন) ও ওয়াটার ইন্টিগ্রিটি নেটওয়ার্ক (ডব্লিউআইএন) এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
বাংলাদেশের পানি ব্যবস্থাপনার বিষয়ে টিআইবি’র সহযোগিতায় বাউইনের পক্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপক ড. সৈয়দ হাফিজুর রহমান ও শেখ তৌহিদুল ইসলাম একটি বেইজ লাইন গবেষণা পরিচালনা করেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশে পানির অবস্থা সম্পর্কে এ গবেষণা করা হয়েছে বলে জানান ড. শেখ তৌহিদুল।
তিনি বলেন, গবেষণায় আমরা দেখেছি যে, বিভিন্ন সময় ওয়াসা নিয়ম-বহির্ভূতভাবে কার্যাদেশ পরিবর্তন ও অতিরিক্ত কাজের অনুমোদন দিয়েছে।
আর নিয়ম বহির্ভূতভাবে প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মকর্তা নিয়োগ ও বিজ্ঞপ্তি না দিয়ে নিয়োগের ঘটনাও ঘটেছে। এছাড়া কর্মকর্তাদের একাংশের মাধ্যমে ওয়াসার ভূমি দখল করা হয়েছে।
নিম্নমানের গন্ধ ও ময়লাযুক্ত পানি ওয়াসা সরবরাহ করে থাকে অভিযোগ করে তিনি বলেন, পুরান ঢাকার কিছু এলাকায় ওয়াসার এ ধরনের পানি সরবরাহ করার খবর পাওয়া গেছে।
বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন ও জার্নালে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী ও তাদের গবেষণায় এসব বিষয় উঠে এসেছে বলে জানান তৌহিদুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামানসহ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
এসএইচ





