বিপুল পরিমান অবৈধ সম্পদের মালিক ঢাকা সিটি এসবি’র দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিআইজি (প্রটেকশন এন্ড প্রটোকল) রফিকুল ইসলাম বাবুল দুর্নীতি দমন কশিনের অনুসন্ধানী কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করার অভিযোগ উঠেছে।

তিনি দুদকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা দুদকের উপ পরিচালক হামিদুল হাসানকে চাহিদা মোতাবেক প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত সরবরাহের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও এড়িয়ে যাচ্ছে বলে জানা যায়।

আজ রোববার পুলিশের ডিআইজি রফিকুল ইসলাম বাবুলের দুদকে হাজির হওয়ার কথা থাকলেও আসেননি। এমনকি কোনো যোগাযোগ করেননি এবং রেকর্ডপত্রও দুদকে সরবরাহ করা থেকে বিরত রয়েছেন।

জানা যায়, পুলিশের ডিআইজি বাবুলের বিরুদ্ধে প্রায় শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ( জ্ঞাত আয় বহির্ভুত) সম্পদ রয়েছে। এ পুলিশ কর্মকর্তার মালিকানাধীন জায়গা সম্পতির মধ্যে: রাজধানীতে যাত্রাবাড়ি, উত্তরা, কালিয়াকৈর, গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় নামে-বেনামে থাকা বাড়ি, প্লট জমির দলিল, মাঠ জরিপের পরচা, খাজনা রসিদ ইত্যাদি রেকর্ড পত্র চাওয়া হয়েছিলো ডিআইজি বাবুলের কাছ থেকে। এসব রেকর্ডপত্র হাতে না পেলে এবং অসহযোগিতার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুদক আইনী ব্যবস্থা নেবেন বলে জানা যায়।

গত ১৭ ডিসেম্বর দুদকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা তাকে তলবি নোটিশ পাঠায়। ওই নোটিশ অনুযায়ী তিনি ২১ ডিসেম্বের বিকেলে দুদকে আসেন। দুদক কর্মকর্তা তাকে টানা এক ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

ওইদিন দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, পুলিশের মধ্যে তার সম্পদ সবচেয়ে কম। তার সব সম্পদ বৈধ।

দুদক তার কাছ থেকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে তথ্য জানতে চাইলে সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি। কোনো কিছুই তার মনে নেই বলে দাবি করেন। অর্জিত সম্পদ তার আয়কর বিবরণীতে উল্লেখ রয়েছে বলে জানান বাবুল। এ পরিপ্রেক্ষিতে অনুসন্ধান কর্মকর্তা তার দাবির সপক্ষে রেকর্ডপত্র চান।

পরে ২৮ ডিসেম্বর পুলিশের এ কর্মকর্তা রেকর্ডপত্র দেবেন এবং প্রয়োজনে হাজির হবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেন।

এদিকে দুদকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা আজ রোববার সারাদিন অপেক্ষা করলেও ভারপ্রাপ্ত ডিআইজি রফিকুল ইসলাম বাবুল দুদকে হাজির হননি। কোনো রেকর্ডপত্রও সরবরাহ করেননি।

একে/এসএইচ