দেশের প্রায় ৭০ হাজার গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণা করে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে 'আইডিয়াল কো-অপারেটিভ লি:র (আইসিএল) চেয়ারম্যান ও এমডি এইচএনএম শফিকুর রহমানসহ ১০ জনকে ৩ দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা উপ-পরিচালক হামিদুল হাসান গত ৩ দিনে তাদের জ্ঞিাসাবাদ করেন।
জানা যায়, দুদকের এ অনুসন্ধানী কর্মকর্তা আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা দুপুর ২টা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করেন, আইসিএল’র পরিচালক আলহাজ্ব শেখ আহমেদ, পরিচালক আশরাফুল ইসলাম ইমরান, পরিচালক এটিএম মোরশেদ আলম, মেজর (অব) মো. শহিদুল্লাহকে।
এর আগে গত ৩ মার্চ জিজ্ঞাসাবাদ করেন আইসিএল’র এমডি শফিকুর রহমান,তার স্ত্রী কাজী শামসুন নাহার মিনা, তার পিতা পরিচালক কাজী শাহেদ রহমান শাহেদ এবং পরিচালক মো. ফকরুল ইসলাম ফকরুলকে।
গত ৪ মার্চ জিজ্ঞাসাবাদ করেন আইসিএল’র পরিচালক কাজী নজরুল ইসলাম টিপু, পরিচালক জহিরুল ইসলাম সোহেল, পরিচালক সোহাগ ইসলাম সোহান, পরিচালক শিরিন আক্তারকে।
দুদকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা উপ-পরিচালক হামিদুল হাসান, আগামী ১০,১১ ও ১২ মার্চ আরো ১০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছেন।
নোটিশে ১০ মার্চ সকাল ১০ টায় শুভপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর কবির মজুমদার, কনকাপৈত ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইকবাল হোসেনকে দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে।
১১ মার্চ পরিচালক এইচ এম এম আশিকুর রহমান, পরিচালক আবুল হাসেম, পরিচালক মো. আমিনুর রহমানকে হাজির হতে বলা হয়েছে।
১২ মার্চ সকাল ১০ টায় পরিচালক কামাল আহমেদ, পরিচালক মো. সাইফুর রহমান, পরিচালক এম মোরশেদ জুয়েল এবং পরিচালক নাজির হোসেনকে হাজির হতে বলা হয়েছে।
জানা যায়, এর আগে আর অভিযোগের ওপর দুদক ২০১৩ সাল থেকে অনুসন্ধান করেন উপ-পরিচালক মোঃ নাসির উদ্দিন।
দুদকের এ কর্মকর্তা অনুসন্ধানকালে গত মার্চে শফিকুর রহমানকে একবার ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তিনি কিন্তু দুদকের এ কর্মকর্তা কোনো প্রতিবেদন দাখিল না করায় নভেম্বর মাসের প্রথম দিকে উপ-পরিচালক মোঃ নাসির উদ্দিনকে এ বিষয়ে অনুসন্ধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে উপ-পরিচালক হামিদুল হাসানকে দায়িত্ব দেয়া হয়।
জানা যায়, ১২ বছর ধরে আইসিএল গ্রুপের সহযোগী এ প্রতিষ্ঠান (সমবায় সমিতি) গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। ২০০১ থেকে ২০১২ অর্থবছর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির অডিট রিপোর্টে বেশকিছু আপত্তি ছিল।
একে





