কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি আজ দুপুর ২টায় ধার্য করেছে হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আজ (২৩ ফেব্রুয়ারি) রোববার দুপুরে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চে এই শুনানি হবে।
হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে এটর্নি জেনারেলের পক্ষে ডেপুটি এটর্নি জেনারেল সারোয়ার হোসেন বাপ্পী সময় আবেদন করলে আদালত দুপুর ২টায় সময় নির্ধারণ করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল প্রমুখ।
গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বুধবার আবেদনটি উপস্থাপনের পর আদালত আজ শুনানির দিন ঠিক করেছিলেন। সে অনুযায়ী আবেদনটি আজ কার্যতালিকার এক নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।
ওই দিন আদালতে বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন শুনানির জন্য উপস্থাপন করেছিলেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে জিয়ার চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় নতুন করে জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবীরা।
আবেদনে বলা হয়েছে, খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ, তার স্বাস্থ্যের চরম অবনতি হয়েছে। তার উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে তার উন্নত চিকিৎসা হচ্ছে না। তাই জামিন পেলে তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাবেন।
গত ১২ ডিসেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ। এর আগে গত ৩১ জুলাই এ মামলায় হাইকোর্ট জামিন আবেদন খারিজ করেন। গত বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াসহ চার আসামিকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়। ২০১০ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা করে দুদক।
অন্যদিকে, খালেদা জিয়ার কারামুক্তির জন্য আরো একটি মামলায় জামিন নেয়ার প্রয়োজন হবে বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন। এটি হলো জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ০৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন। রায়ের পর ঢাকার পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে কারাভোগ করছেন। পরে ওই বছরের ৩০ অক্টোবর খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন হাইকোর্ট।
শারীরিক অসুস্থতার কারণে ২০১৯ সালের ০১ এপ্রিল থেকে কারা হেফাজতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া।
এমবি





