রাজধানীর মোহাম্মদপুর হাউজিং এলাকায় শিশু নাসিমা আক্তার মুক্তা (৬) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
এ হত্যাকান্ডের মূল আসামী আল আমিনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।
গত ১৪ মে বৃহস্পতিবার এ হত্যাকাণ্ডে মোহাম্মদপুর থানায় নাসিমার বাবা মুস্তাফিজুর রহমান বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
বুধবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত মামলাটি তদন্তের এক পর্যায়ে পুলিশ ঘটনার ৪ দিনের মাথায় আসামী আল আমিনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী আল আমিন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দীতে জানায় যে, ঘটনার দিন দুপুরে সে নাসিমা আক্তার মুক্তাকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে এবং পরে হত্যা করে।
মোহাম্মদপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ আজিজুল হক টাইম নিউজ বিডিকে জানান, আল আমিন সাত মসজিদ হাউজিং ৫নম্বর রোডের হালিম সাহেবের বাড়ীর ম্যানেজারের ছেলে এবং ওই বাড়ি থেকেই আল আমিনকে গ্রেফতার করা হয়।
উল্লেখ্য, রাজধানীর মোহাম্মদপুর হাউজিং সোসাইটি এলাকায় গত ১৪ মে (বৃহস্পতিবার) বিকালে নাসিমা আক্তার মুক্তা (৬) নামের ওই শিশুটির গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় প্রথম শ্রেণিতে পড়ত।
মুক্তার বাবা মুস্তাফিজুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা থেকে মুক্তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখুঁজি করে বিকেলে বাড়ির পাশে সেপটিক ট্যাংকে তার লাশ পাওয়া যায়। মুক্তার গলার একপাশে কাটা ছিল।
তিনি অভিযোগ করেন, কাপড় শুকানোর তার ঝুলানোকে কেন্দ্র করে পাশের বাড়ির ফারুকের মায়ের সঙ্গে মুক্তার মায়ের মায়ের ঝগড়া হয়। এর জের ধরে তারা মুক্তাকে হত্যা করেছে।
এমআর/এসএইচ





