জাল টাকা তৈরি চক্রের সদস্যরা আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে সারাদেশে প্রচুর জালটাকা সরবরাহ করার পরিকল্পনা করেছিল বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম-কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম।
রাজধানীর মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাল টাকা তৈরি চক্রের ৬ সদস্যকে আটকের ব্যাপারে মঙ্গলবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব তথ্য জানান।
আটকরা হলেন- মো. বাদশা মিয়া, আব্দুল জলিল, জয়নাল খন্দকার, বায়েজিদ বোস্তামী, মহসিন ওয়াসিম ও মো. সোহাগ।
মনিরুল ইসলাম বলেন, তারা আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে সারাদেশে যখন টাকার লেনদেন বেশি হয়, এ সময়কে কাজে লাগিয়ে তারা সারাদেশে জালটাকা সরবরাহ করার পরিকল্পনা করেছিল।
যুগ্ম-কমিশনার বলেন, জাল টাকা তৈরি চক্রের সদস্যরা টাকা, ভারতীয় রুপি, ডলারসহ ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের মূদ্রা তৈরি করে সারাদেশে বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বাজারজাত করে। এজন্য তারা ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে জালটাকা তৈরির কারখানা স্থাপন করে।
ডিবির যুগ্ম-কমিশনার আরো বলেন, আটকদের কাছ থেকে এক কোটি বিশ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। আটকদের অন্য সহযোগীরা টাকার যাবতীয় বৈশিষ্ট ঠিক রেখে কাগজ তৈরি করে বাদশা মিয়ার চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করে।
পরে বাদশা, জলিল, জয়নাল, বায়েজিদ, মহসিন ও সোহাগ ওই কাগজে কম্পিউটার ও প্রিন্টারের মাধ্যমে টাকার ছাপ দেয়। এই জালটাকা মাহবুব মোল্লা, সেলিম মিয়া, হানিফ গাজী, জামান, ইমন ও সাজু নামে চক্রের বাকি সদস্যরা সারাদেশে সরবরাহ করে।
সংবাদ সম্মেলনে ডিবির উপ-কমিশনার (উত্তর) শেখ নাজমুল আলম, উপ-কমিশনার (পুর্ব) মাহবুব আলম, উপ-কমিশনার (পশ্চিম) সাজ্জাদুর রহমান, উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মুনতাসিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
এমআর/এসএইচ





