নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জেলেরা পেটের দায় ধরছে মাছ কিন্তু এ সময় মাছ ধরা নিষিদ্ধ ।
পেট তো আর মানছে না ''মাছ ধরছে জেলে আর জেলে ধরছে পুলিশ'' চলছে চোর পুলিশ খেলা ।
মা ইলিশ শিকারের দায়ে শরীয়তপুর গোসাইরহাট ও নড়িয়া উপজেলায় ১১ জেলেকে এক মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেই সঙ্গে অবৈধ কারেন্ট জাল ও ১ হাজার ২৮০ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছা ধরার বিষয় জানতে চাইলে জেলেরা বলেন মাছ না ধরলে খামু কি পরিবার নিয়ে ? সরকার আমাগো কিছু সাহায্য করলে আমরা আর তাইলে মাছ ধরতাম না।
শনিবার সকাল থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত গোসাইরহাট ও নড়িয়া উপজেলার কুচাইপট্টি হিজলা, চরাত্রা, সুরেশ্বর ও চরমহন এলাকায় পদ্মানদীতে অভিযান চালিয়ে ১০৫ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জালসহ ১১ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের ৫ জনকে শনিবার রাতে এবং ৬ জনকে রোববার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে দণ্ডিত করা হয়।
নড়িয়া উপজেলার সোহরাফ বকাউল (৫০), মো. আহসান বেপারী (৩৭), নবির হোসেন খালাসী (২২), আহসান উল্লাহ মাঝি (৩৮) ও আজিজুল প্রধানিয়া (৩৫), গোসাইরহাট উপজেলার মো. আবুল কালম (২৫), সিরাজ বেপারী (৫০), বিল্লাল (২৮), ওলি বেপারী (১৯), রাসেল (২০) ও সালাউদ্দিন (২০)।
এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (গোসাইরহাট সার্কেল) ।
পরে আটকদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াহ ইয়া খান এবং ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা ইয়াসমিনের নেতৃত্বে গঠিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করেন।
এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আইন অমান্য করে মা ইলিশ শিকারের দায়ে প্রত্যেককে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন।
সেই সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতিতে জব্দ কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। আর ১ হাজার ২৮০ কেজি ইলিশ মাছ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
এএস





