আনন্দ শিপইয়াডের বিরুদ্ধে প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকার ঋন জালিয়াতি , বিদেশে অর্থ পাচার ও আত্মসাতের ঘটনার আরও শক্তিশালী অনুসন্ধানী টিম গঠনের সুপারিশসহ একটি প্রতিবেদন দুদকের সংশ্লিষ্ট শাখায় জমা দিয়েছেন দুদক কর্মকর্তা।
সম্প্রতি উপ-পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদকের) এক পরিচালকের মাধ্যমে কমিশনে এ প্রতিবেদন জমা দেন।
তার এ প্রতিবেদনে আনন্দ শিপইয়ার্ডের ঋণ জালিয়াতি ও অর্থ পাচারের ঘটনা উদঘাটনে ৪ সদস্যেরএকটি শক্তিশালী টিম গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আনন্দ শিপইয়ার্ডের কাছ থেকে প্রাপ্ত নথিপত্র, প্রতিষ্ঠানটির এমডি আফরোজা বারীকে জিজ্ঞাসাবাদ লব্ধ তথ্য, অনুসন্ধান কেন্দ্রিক গৃহিত পদক্ষেপ এবং পরবর্তী অনুন্ধান পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।
জানা যায়, আনন্দ শিপইয়ার্ডের বৃহৎ এ ঋণ জালিয়াতি অনুসন্ধান এককভাবে চালিয়ে যাওয়া নিরাপদ নয়-এ বিবেচনা থেকে একাধিক কর্মকর্তার সমন্বয়ে টিম গঠনের সুপারিশ করা হয় প্রতিবেদনে। ৭ টি ব্যাংক এবং ৭ লিজিং প্রতিষ্ঠান থেকে ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতি ও পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান করছেন একক ভাবে দুদকের উপ-পরিচালক মীর মোঃ জয়নুল আবেদীন শিবলী।
এদিকে আরও জানা যায়, আনন্দ শিপইয়ার্ডের কর্মকর্তা এবং মিডিয়া পরামর্শক হিসেবে পরিচয়দানকারী জনৈক ব্যাক্তি ইতোমধ্যে জাতীয় একাধিক দৈনিকের সিনিয়র রিপোর্টারকে ব্লাক মেইলীং করার চেষ্টায় আছেন।
এমনকি একাধিক মিডিয়ার প্রভাবশালী সিনিয়র সাংবাদিককে চাকরিচ্যুতির চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে প্রশাসনের কর্মকর্তাদেরও নানা ভাবে ম্যানেজ করার চেষ্টায় আছেন। যার ফলে বিষয়টিকে সামনে রেখে দুদক কর্মকর্তারা এবার সতর্কতার সঙ্গে এগুচ্ছেন বলে জানা যায়।
ঢাকা, একে, ২৮ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ





