নাটোর জেলার বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে দু'টি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় হানিফ, অথৈ ও কেয়া পরিবহনের মালিক, গাড়িচালক ও হেলপারকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একই সঙ্গে অযিুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে তদন্ত কমিটি। তদন্ত প্রতিবেদনে নিহত ৩৬ জন এবং আহত ৪৪ জন উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের রেজুর মোড়ে সোমবার বিকালে দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ওই সময় কেয়া ও অথৈ পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষের পর হানিফ পরিবহনের একটি বাস রাস্তার উপর পড়ে থাকা যাত্রীদের চাপা দিয়ে দ্রুতগতিতে চলে যায়, এতে হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে ওউ সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৬ জন নিহত এবং ৪৪ জন আহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফলে এ দুর্ঘটনার জন্য অথৈ, কেয়া ও হানিফ পরিবহনের মালিক, চালক ও হেলপারকে দায়ী করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে তদন্ত কমিটি।
এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী আমরা শিগগিরই দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। হানিফ পরিবহনের অভিযুক্ত গাড়িটি চিহ্নিত করতে সকলের সহযোগিতা চেয়ে বিআরটিএ একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে।
মন্ত্রী বলেন, দুই গাড়ির চালক মারা গেছেন বলা হলেও আমরা জানতে পেরেছি কেয়া পরিবহনের চালক মারা যাননি। তিনি চিকিৎসাধীন আছেন।
হতাহতের ঘটনা তদন্তে সোমবারই নাটোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। পরে আরও দুই সদস্য যুক্ত হন।
কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়। তবে কমিটি গতকাল বুধবারই প্রতিবেদন দাখিল করে।
একে/এএইচ





