বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়াদের তথ্য চেয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের জারি করা একটি নির্দেশনা স্থগিত চেয়ে এর আগে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছিল। পরে সেই আবেদনটি ডিএমপি নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশনা বিধিমালা-২০০৬ অনুযায়ী খারিজ করে দেন আদালত। যে ধারা অনুযায়ী সেই আবেদন খারিজ করা হয়েছিল এবার সেই ধারাটি চ্যালেঞ্জ করেই একটি রিট আবেদন করা হয়েছে।
রিটে ঢাকা মহানগর পুলিশ (নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশনা বিধিমালা ২০০৬) এর ৪ (খ) ধারাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। ২০ মার্চ সুপ্রীম কোর্টের সংশিষ্ট শাখায় এ রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়।
সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী আইনুন নাহার সিদ্দিকীসহ তিনজন এ রিট আবেদনটি দায়ের করেন।
রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে বিবাদী করা হয়েছে। মঙ্গলবার এ আবেদনটি বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মাদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির জন্য রাখা ছিল।
এ বিষয়ে রিটকারীর আইনজীবী অনিক আর হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঢাকা মহানগর পুলিশ (নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশনা বিধিমালা ২০০৬) এর ৪ এর (খ) ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনটি করা হয়েছে।’
এ ধারা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ যে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে। সে হিসেবে পুলিশ রাজধানীর বাসার মালিক ও বাসার ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে তথ্য চেয়ে একটি ফরম বিতরণ করেছে।
সেখানে পুলিশ অনেক ব্যক্তিগত গোপনীয় তথ্য চেয়েছে। বিষয়টি সংবিধানের মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই পুলিশকে এ বিধিমালা অনুযায়ী যে কোনো পদক্ষেপ নিতে সংবিধানের মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলো মানতে হবে। কিন্তু পুলিশ এ বিধিমালা প্রয়োগে অপব্যাখা করছে বলে অভিযোগ এ আইনজীবীর।
এআইজে





