ঢাকার মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একজন সহকারী কমিশনারের (এসি) অফিসের ড্রয়ারের তালা ভেঙে ৫ হাজার পিছ ইয়াবা চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় ঢাকার ডিবি অফিসে কর্মরত একজন কনস্টেবলের বিরুদ্ধে রাজধানীর রমনা থানায় মামলা করেছে পুলিশ। মামলার পর ওই পুলিশ কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবলের নাম সোহেল রানা। তাঁর বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুর থানার কাকনা গ্রামে। তাঁর বাবার নাম জিন্নাত আলী।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে আসেন কনস্টেবল সোহেল রানা। সেখানে সহকারী কমিশনারের কক্ষের ঢুকে ড্রয়ারে আলামত হিসেবে রাখা পাঁচ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট হাতিয়ে নেন। পরে তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে রিকশাযোগে শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী সরণির দিকে চলে যান।
পরদিন শনিবার সকালে ডিবির এএসআই আবু সুফিয়ান ডিউটি শুরুর আগে ডিবির জ্যাকেট নেওয়ার জন্য অফিসে গিয়ে দরজার সামনের বারান্দার সিলিং ও ভেতরে দক্ষিণ কোণের সিলিং খোলা দেখতে পান।
ঘটনাটি তিনি সহকারী কমিশনার মজিবর রহমানকে জানান। পরে কক্ষে গিয়ে দেখা যায়, মজিবর রহমানের কক্ষের থাই অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি দরজা ও তিনটি ড্রয়ারের তালা ভাঙা।
ঘটনার তদন্তে নেমে ডিবি অফিসের ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণে এই চুরির ঘটনায় কনস্টেবল সোহেল রানাকে শনাক্ত করা হয়। কনস্টেবল সোহেল রানা জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার দায় স্বীকার করেন। পরে চুরি করা ইয়াবাগুলো তাঁর বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহাবুদ্দিন খলিফা সাংবাদিকদের জানান, গত ৩০ জুলাই গেণ্ডারিয়া থানায় একটি মাদক মামলা হয়। চারজন আসামির কাছ থেকে ওই পাঁচ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
সেগুলো মামলার আলামত হিসেবে ডিবিতে রাখা ছিল। আদালতে ওই আলামত ধ্বংসের আবেদন করা হয়েছে। অনুমতি পেলে ইয়াবাগুলো আদালতে পাঠানো হবে।
এএস





