একাধিক মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নাসির গ্রুপ বিদেশে কয়েক শত কোটি টাকা পাচারের অভিযোগের সুনির্দিষ্টতা খতিয়ে দেখছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদক ইতোমধ্যে এম বি মানি চেঞ্জার এবং এ জে মানি চেঞ্জারসহ আরও বেশ কয়টি মানি চেঞ্জারের মালিকের কাছে আর্থিক লেনদেনের বিবরনীসহ তথ্য উপাত্ত চেয়েছে।
জানা যায়, এম বি মানি চেঞ্জারের মাধ্যমে অবৈধভাবে নাসির গ্রুপের প্রায় ১০০ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়। দুদক কর্মকর্তা শিপলুর কাছে ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত নাসির গ্রুপের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের বিবরণী সম্পর্কে সম্পর্কে জ্ঞিাসাবাদ করেন। এছাড়া দুদক কর্মকর্তা এ জে মানি চেঞ্জারের কাছেও একই তথ্য চেয়েছেন।
এদিকে সোমবার দুদক সহকারী পরিচালক এস এম রফিকুল ইসলাম 'এম বি মানি চেঞ্জারে'র মালিক শরিফ আরিফুজ্জামান শিপলুকে প্রায় ২ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেন কারণ নাসির গ্র্রুপের বিদেশে অর্থ পাচারে সহায়তার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
আরও জানা যায়, নাসির গ্রুপের বিরুদ্ধে আমদানি করা পণ্যের প্রতিটি এলসির বিপরীতে বিপুল পরিমাণ মার্কিন ডলার হুন্ডির মাধ্যমে পাচার ও বিভিন্ন কৌশলে আরও কয়েক শত কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার অভিযোগও রয়েছে।
এদিকে একই অভিযোগ দুধকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা নাসির গ্রুপের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন বিশ্বাস এবং নাসির লিফ টোবাকো ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী তাসলিমা সুলতানাসহ ১০ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে।
দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম রফিকুল ইসলাম ১৫ ডিসেম্বর (সোমবার) বেলা ২টায় নাসির গ্রুপের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন বিশ্বাস, তার দ্বিতীয় স্ত্রী পরিচালক তাসলিমা সুলতানা, জিএম (আমদানি) আলফাজ উদ্দিন, জিএম (কমার্সিয়াল) মো. আবু সাইদ, জিএম (মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস) শামীম আহম্মেদ, জিএম (প্রশাসন) আব্দুস সোবহান, জিএম (ফাইন্যান্স ও হিসাব) মো. সিদ্দিকুর রহমান, জিএম (রপ্তানি) এ কে এম শহিদুজ্জামান, এজিএম (ক্রয়) মো. ওবায়দুল ইসলাম এবং ক্যাশিয়ার মো. শামীমকে হাজির হবার নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তারা দুদকে হাজির না হয়ে এক মাসের সময় চেয়ে আবেদন পাঠিয়েছেন। দুদকের এ অনুসন্ধানী কর্মকর্তার তলবি নোটিশে নাসির গ্রুপের চেয়ারম্যানের ব্যাংক ও আয়কর নথিও সরবরাহের জন্য বলা হয়েছে।
একে/কেএইচ





