ঢাকা সিএমএম আদালতের হাজতখানার দ্বিতীয় তলা। এই তলার একটি কক্ষে রাখা হয় আসামি আরিফ উল্লাহকে। ওই কক্ষে থাকা অবস্থায় সে শৌচাগারে যেতে চায়।

পরে পুলিশ কনস্টেবল শওকত তাকে শৌচাগারে নিয়ে যান। সেখান থেকে বের হওয়ার পর আরিফ উল্লাহকে কিছু লুকাতে দেখতে পান কনস্টেবল শওকত।

এতে তার সন্দেহ হলে আরিফকে তল্লাশি করে। এ সময় তার কাছে ৩টি স্বর্ণের বার দেখতে পান। এরপর শওকত হাজতখানার ওসি মুরাদ হোসেনকে খবর দেন।

পরে ওসি মুরাদ হোসেন আরিফের বিষয়টি জানতে চাইলে সে জানায়, মালয়েশিয়া থেকে পশ্চাদ্দেশ দিয়ে ঢুকিয়ে পেটের মধ্যে করে ৩টি বার নিয়ে এসেছিলেন।

বাথরুমে গেলে ওই ৩টি বার মলের সঙ্গে বের হয়ে আসে। উদ্দেশ্য ছিল রিমান্ড শুনানিকালে তাকে আদালতে তোলা হলে, ওই ৩টি বার তার আত্মীয়-স্বজনদের কাছে দিয়ে দিবেন।

জানা যায়, বিমানবন্ধর থানার ১৮(১)১৬ নম্বর মামলার আসামি আরিফ উল্লাহ মুন্সি (৩৬) মালয়েশিয়া থেকে রোববার সকালে বিজি-০৮৭ ফ্লাইটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন।

বিমানবন্দরের শুল্কগোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ তার দেহ তল্লাশিকালে তিনশ গ্রাম ওজনের ৩টি স্বর্ণের বার, এক বোতল বিদেশি মদ এবং ৬৮ কার্টুন সিগারেট উদ্ধার করে। এরপর তার বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা করেন।

পরে ওসি মুরাদ হোসেন বিষয়টি ঢাকার সিএমএম এবং ডিসি প্রসিকিউশনকে জানালে তারা স্বর্ণের বার ৩টি জব্দ করে কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা করার নির্দেশ দেন।

সোমবার ওই মামলায় বিমানন্দর থানার এসআই আবুল কালাম আজাদ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে এ আসামিকে বেলা ২টার দিকে ঢাকা সিএমএম আদালতে হাজির করেন।

উল্লেখ্য, আসামি আরিফ উল্লাহ মুন্সি ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলার সদর থানার সুলতানপুর গ্রামের মোহাম্মাদ উল্লাহ মুন্সির ছেলে।

এসএইচ