গুলশানে গাড়ির ধাক্কায় চার জনকে আহত করার ঘটনায় চালক ফারিজ রহমান ও গাড়ি মালিকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছে হাই কোর্ট।

রুলে ওই ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নিতে ‘বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা’ কেন ‘আইনগত কর্তৃত্ব বহিভূর্ত’ ঘোষণা করা হবে না- তাও জানতে চাওয়া হয়েছে ।  

স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, মহানগর পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক, রমনা), অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (তদন্ত, রমনা) ও গুলশান থানার ওসিকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীসহ ছয় জন সোমবার হাই কোর্টে এই রিট আবেদন করেন। আবেদনকারীরা হলেন- ব্যারিস্টার ওমর ফারুক, আইনজীবী কে এইচ বাহার রুমী, শামীম আরা, মাহফুজ-বিন ইউসুফ, নাজমুল খন্দকার নাজমুল আহসান ও এসএম আসলাম। এদের মধ্যে শেষোক্তজন আইনজীবী নন।

তাদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া ও ব্যারিস্টার অনীক আর হক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমাতুল করীম ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল টাইতাস হিল্লোল রেমা।

হাইকোর্ট মামলা করার নির্দেশ দিয়েছে কিনা জানতে চাইলে রিট আবেদনকারীদের আইনজীবী অনীক আর হক বলেন, আইন অনুযায়ী দুর্ঘটনার পর একুশ দিনের মধ্যে মামলা করতে হয়। সে হিসেবে এখনও ১৪ দিন বাকি আছে। আদালত পুলিশকে এই ১৪ দিনের মধ্যে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি জানান, এ সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে বিষয়টি আদালতের নজরে আনা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ১২ অক্টোবর আওয়ামী লীগের প্রাক্তন সংসদ সদস্য ডা. এইচ বি এম ইকবালের ভাতিজা  ফারিজ রহমান গুলশানে গাড়ি চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি দুটি রিকশাকে ধাক্কা মারে। এতে চারজন আহত হন।

কেএইচ