নৌবাহিনীর এক লেফটেন্যান্টকে মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার ঢাকা-৭ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমপুত্র ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বহিষ্কৃত কাউন্সিলর ইরফান সেলিম এবং তার দেহরক্ষী মোহাম্মদ জাহিদকে আদালতে হাজির করা হয়েছে।
আজ (২৮ অক্টোবর) বুধবার সকাল ১০টায় ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে তাদের হাজির করা হয়। পরে তাদের আদালতের হাজতখানা রাখা হয়।
এই দুই আসামির গ্রেফতার ও রিমান্ড নিয়ে বেলা ১১টার পর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামিদের গ্রেফতারের বিষয়ে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে শুনানি হবে। এরপর রিমান্ড নিয়ে অন্য আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
সেলিম ও জাহিদ ৭দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ। এ মর্মে মঙ্গলবার পুলিশের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে। এরপর ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূর রিমান্ড ও গ্রেফতার বিষয়ে শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করেছেন।
এর আগে সোমবার এই মামলায় গ্রেফতার হন- ইরফান সেলিম, তার দেহরক্ষী মো: জাহিদ ও গাড়িচালক মিজানুর রহমান। আর দিনগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে টাঙ্গাইল শহরে এক বন্ধুর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় এবি সিদ্দিক দিপুকে।
এই মামলার আরেক আসামি ইরফানের গাড়িচালক মিজানুর গ্রেফতারের পর রিমান্ডে রয়েছেন।
গত ২৫ অক্টোবর (রোববার) রাতে ধানমন্ডিতে ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে ইরফান ও তার সহযোগীরা নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করেন। এই ঘটনায় হাজী সেলিমের ছেলেসহ চারজনের নাম উল্লেখ ছাড়াও অজ্ঞাত দু-তিনজনকে আসামি করে ধানমন্ডি থানায় মামলা করেন নৌবাহিনীর ওই কর্মকর্তা।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, রোববার রাত পৌনে ৮টার দিকে রাজধানীর নীলখেত থেকে কিছু বই কিনে স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে নিজেদের মোহাম্মদপুরের বাসায় ফিরছিলেন লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ। পথে ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতারের কাছে একটি প্রাইভেটকার তাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। পরবর্তীতে প্রাইভেটকার থেকে কয়েকজন বেরিয়ে এসে ওয়াসিফকে মারধর ও তার স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল দিতে থাকেন।
এমবি





