একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (প্রসিকিউশন টিম) অফিস পুনর্গঠিত হতে যাচ্ছে।
বর্তমানে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিদের বেশ কয়েকজন সদস্য কোনও মামলার সাথে যুক্ত নেই। অন্যদিকে,কয়েকজন কৌঁসুলি দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিন যাবৎ এ অবস্থা চলে আসছে,যা নজরে এসেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অফিস সূত্র জানায়,দীর্ঘ দিন ধরে পর্যবেক্ষণের পরে যারা কাজ করছেন না,তাদের বাদ দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অফিসকে আরো শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শিগগিরই কৌঁসুলি অফিস পুনর্গঠন করা হবে।
গত ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার সাথে সাথেই প্রতিষ্ঠা করা হয় কৌঁসুলি অফিস। বর্তমানে এ দলের সদস্য সংখ্যা ২১ জন। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন এখনো বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সনদপ্রাপ্ত নন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ জানান,শুনেছি রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিদের দল পুনর্গঠন করা হবে।
তুরিন আফরোজ টাইমনিউজবিডিকে বলেন,বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়। তবে এমনটি হতে পারে। কারণ আমাদের মধ্যে অনেকে রয়েছেন যারা কঠোর পরিশ্রম করেন।রিসার্চ করে মামলার কাজ করছেন।
তিনি বলেন,আবার অনেকেই আছেন যারা কোনও কাজ করছেন না। অথচ তারাও সমান তালে সকল সুবিধা ভোগ করছেন। আসলে সবই তো স্পষ্ট যে কে কী কাজ করছেন। কর্তৃপক্ষ কাজ অনুসারে বিবেচনা করবেন।
তুরিন আফরোজের সাথে একমত পোষণ করেন আরেক কৌঁসুলি অ্যাভোকেট সুলতান মাহমুদ সীমন। তিনি বলেন,আমাদের অফিসে অনেক লোক আছেন,যারা না খেয়ে দিনরাত শ্রম দিচ্ছেন,আর কিছু লোক আছেন যারা কখনো কোনো কাজ না করেও কৃতিত্ব নিতে চান।
তিনি বলেন,সরকার কৌঁসুলিদের অফিস পুনর্গঠন করলে ভালোই হবে। কারণ এর মাধ্যমে যারা ভালো কাজ করেন তাদের মূল্যায়ন করা হবে। তাছাড়া নতুন যারা আসবেন তারাও পরিশ্রমী হবেন।
সীমন আরো বলেন,এভাবে পুনর্গঠন করা হলে কৌঁসুলিদের অফিস আরো শক্তিশালী ও উন্নত হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাষ্ট্রপক্ষের আরেক কৌঁসুলি অভিযোগ করেন, আমাদের মধ্যে অনেকে আছেন,যারা এখনো আইসিটি অ্যাক্টটি একবারের জন্যও পড়েন নি।
তিনি বলেন,এদের নিয়ে কাজ করতে হয় বলেই কৌঁসুলি অফিসের এতো স্ক্যান্ডাল।
[b]ঢাকা, জিই, ৮ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেবি[/b]
অপরাধ
এবার পুনর্গঠিত হচ্ছে ট্রাইব্যুনালের কৌঁসুলি অফিস
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (প্রসিকিউশন টিম) অফিস পুনর্গঠিত হতে যাচ্ছে। বর্তমানে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিদের বেশ কয়েকজন সদস্য কোনও





