একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীকে রায় পড়ে শুনানো হয়েছে। এ সময় তার কাছে প্রাণভিক্ষার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি পরিবার ও আইনজীবীদের সাথে দেখা করে সিদ্ধান্ত নিবেন বলে জানান জেল সুপার।
বুধবার সকালে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ কর্তৃপক্ষ তাকে রিভিউ আবেদন খারিজের রায় পড়ে শোনানোর পর রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ কথা জানান।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বনিক জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মীর কাসেম আলীকে রায় পড়ে শোনানো হয়েছে। এ সময় মীর কাসেম আলীকে কিছুটা চিন্তিত মনে হয়েছে। রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন কি না জানতে চাইলে তিনি পরিবার ও আইনজীবীদের সাথে দেখা করে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান।
তিনি বলেন, সময় চাওয়ার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।
এর আগে মীর কাসেম আলীর রিভিউ আবেদন খারিজ সংক্রান্ত রায়ের কাগজ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার হয়ে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ৪৮ মিনিটে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ পৌঁছে।
মঙ্গলবার সকালে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীর রিভিউ (রায় পুনর্বিবেচনা) আবেদন খারিজ করে দিয়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। রেডিওর মাধ্যমে মঙ্গলবার সকালে কাসেম আলী রিভিউ আবেদন খারিজের রায় শুনেছেন।
মীর কাসেম আলী কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এ বন্দি রয়েছেন। তবে তার মৃত্যুদণ্ড কেরানীগঞ্জের নতুন কারাগারে, নাকি কাশিমপুর কারাগারে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি।
এম এ





