জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ইংরেজি বিভাগের ছাত্র জুবায়ের আহমেদ হত্যা মামলায় ৫ জনের ফাঁসির আদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্টে। বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন।
বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন সাজার রায় পাওয়া ছয় আসামির মধ্যে চারজনকে খালাস দিয়েছে হাই কোর্ট। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ সরোয়ার কাজল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিরমল কুমার দাশ উপস্থিত রয়েছেন।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ছুটিতে থাকায় এ রায় ঘোষণা হয়নি।
গত ৯ জানুয়ারি জুবায়ের আহমেদ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেছিলেন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ।
যুবায়ের হত্যা মামলায় ২০১৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বিচারিক আদালত রায় দেন। রায়ে পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।
মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া পাঁচজন হলেন- খন্দকার আশিকুল ইসলাম, রাশেদুল ইসলাম, জাহিদ হাসান, মাহবুব আকরাম ও খান মোহাম্মদ রইস। তাদের মধ্যে রাশেদুল ইসলাম আপিল করেন। আর অপর চার আসামি পলাতক।এদিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামির মধ্যে পাঁচজন আপিল করেছেন। অন্য আসামি পলাতক।
যাবজ্জীবন দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা পাঁচ আসামি হলেন- মাজহারুল ইসলাম, শফিউল আলম, নাজমুস সাকিব, কামরুজ্জামান ও অভিনন্দন কুণ্ডু। যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত ও পলাতক হলেন ইশতিয়াক মেহবুব।আসামিরা সবাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগকর্মী।
২০১২ সালের ৮ জানুয়ারি জুবায়েরকে ছাত্রলীগের প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে কুপিয়ে জখম করেন। পর দিন ভোরে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এমআর





