বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিউটিউট-বিএসটিআই’র পরিচালক ড. হুমায়ূন কবীরের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার জ্ঞাত সম্পদ অর্জনের দায়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
অভিযোগটি খতিয়ে দেখার জন্য দুদকের উপ-পরিচালক গোলাম মাওলা সিদ্দিকীকে দাযিত্ব দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুদকের নিয়মিত সভায় এ সিদ্ধান্ত দেয়া হয়।
এছাড়াও দি ঢাকা আরবান কো-অপারেটিভ’র চেয়ারম্যান রফিকুল আলম ও এমডি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ২০ হাজার গ্রাহকের ৭০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।
আর এ অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য দুদকের উপ-পরিচালক রাহিলা খাতুনকে দায়িত্বে দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে আরো বেশ কয়টি দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়েও অনুসন্ধান এবং তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এরমধ্যে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের তত্ত্বাবধায়ক গোলাম ছারোয়ারের বিরুদ্ধে টার্মিনালের টোল, পানি ও বিদ্যুৎ বিলের প্রায় ৩ কোটি টাকা সিটি করপোরেশনের ফান্ডে জমা না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ পুনরায় অনুসন্ধান ও তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।
এ বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য দুদক উপ-পরিচালক মোজাহার আলী সরদারকে অনুসন্ধানী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। এর আগে দুদকের সহকারি পরিচালক সৈয়দ তাহসিনুল হক অনুসন্ধান করেন।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা এজাহারুল হক ভুইয়ার বিরুদ্ধে সম্পদের ভুয়া দলিল ব্যাংকে বন্ধক রেখে গ্রাহকদের কোটি কোটি টাকা ঋণ প্রদানের মাধমে নিজে বিপুল সম্পদদের মালিক হয়েছেন।তার অবৈধ সম্পদের বিষয়ে খতিয়ে দেখার জন্য দুদকের উপ-পরিচালক সেলিনা আখতারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
ঢাকা, একে, ৮ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর





