জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ আগামী ১১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে হাইকোর্ট।
আজ (০৯ অক্টোবর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। গত ৩ অক্টোবর খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ ৮ অক্টোবর (আজ) পর্যন্ত বাড়িয়েছিলেন আদালত।
আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আব্দুর রেজ্জাক খান। আর দুদকের পক্ষে ছিলেন- আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।
মামলায় খালেদা জিয়াকে ১২ মার্চ হাইকোর্ট ৪ মাসের জামিন দেন। ৪ মাস শেষে ১৯ জুলাই পর্যন্ত তার জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল। পরে দ্বিতীয় দফায় ২৬ জুলাই, তৃতীয় দফায় ৩১ জুলাই, চতুর্থ দফায় ১৩ আগস্ট, পঞ্চম দফায় ৩ অক্টোবর এবং ষষ্ঠ দফায় ৮ অক্টোবর পর্যন্ত জামিন বর্ধিত করেন হাইকোর্ট।
সপ্তমবারের মতো এই মামলায় বর্ধিত জামিন পেলেন খালেদা জিয়া।
উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুদকের দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ -এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। একই সঙ্গে তার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ ৫ আসামিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং প্রত্যেকের ২ কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করে রায় ঘোষণা করেন আদালত।
রায়ের পর থেকেই একমাত্র বন্দ হিসেবে বেগম খালেদা জিয়া রাজধানীর নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে সাজা ভোগ করেন।
আদালতের নির্দেশে কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে শনিবার (০৬ অক্টোবর) বেলা ৩টা ৪১ মিনিটে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ৭১৬০ নম্বর গাড়িতে করে খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে আনা হয়।
শনিবার (০৬ অক্টোবর) বিএসএমএমইউ-এর ৬১২ নম্বর কেবিনে ভর্তির পর মেডিক্যাল বোর্ড প্রধান অধ্যাপক ডা. আবদুল জলিল চৌধুরী তাকে দেখে আসেন। আর আজ তার চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র পরীক্ষা করেছে মেডিক্যাল বোর্ড। তবে এখনও খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয়নি। বর্তমানে তিনি সেখানেই আছেন।
এমবি





