মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আব্দুস সোবহানের বিরুদ্ধে ৩০তম সাক্ষী এ মামলার দ্বিতীয় তদন্ত কর্মকর্তা মো. নূর হোসাইনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তাকে আসামিপক্ষের জেরা শুরু হয়েছে। জেরা আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর রোববার পর্যন্ত মুলতবি করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এ অসমাপ্ত সাক্ষ্য দেন মো. নূর হোসাইন।
সাক্ষ্যগ্রহণে সহায়তা করেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন ও রেজিয়া সুলতানা চমন। পরে তাকে জেরা শুরু করেন সোবহানের আইনজীবী মিজানুল ইসলাম।
গত ৭ এপ্রিল শুরু হয়ে এর আগে সোবহানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা মতিউর রহমানসহ আরও ৩০ জন সাক্ষী। আর জব্দ তালিকার দুই সাক্ষী হচ্ছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার গ্রন্থাগারিক আনিসুর রহমান ও বাংলা একাডেমির সহকারী গ্রন্থাগারিক এজাবউদ্দিন মিয়া।
গত ১ এপ্রিল সোবহানের বিরুদ্ধে সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন ও রেজিয়া সুলতানা চমন। গত ২৭ মার্চ ট্রাইব্যুনাল-১ স্বপ্রণোদিত হয়ে এ মামলাটি ট্রাইব্যুনাল-২ এ স্থানান্তর করেন।
গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর গণহত্যা, হত্যা, অপহরণ, আটক, নির্যাতন, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও ষড়যন্ত্রসহ ৮ ধরনের ৯টি মানবতাবিরোধী অপরাধে সোবহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল।
গত বছরের ২৩ অক্টোবর ও ২৪ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের বিপক্ষে ও অভিযোগ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আসামিপক্ষে শুনানি করেন সোবহানের প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক ও আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান।
অন্যদিকে ৯ অক্টোবর অভিযোগ গঠনের পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন ও রেজিয়া সুলতানা চমন।
গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর সোবহানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। ১৫ সেপ্টেম্বর সুবহানের বিরুদ্ধে ৮৬ পৃষ্ঠার ওই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে জমা দেন প্রসিকিউশন।
২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সকালে টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব প্রান্ত থেকে সোবহানকে আটক করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
ঢাকা, কেএ, ২৪ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএইচ





