মেয়ে ঐশীকে প্রধান আসামী করে পুলিশ দম্পতি মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রোববার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেয়া হয়েছে। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন। এতে ঐশী রহমানসহ আরো চারজনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্ত অপর চারজন হলেন, ঐশীর বন্ধু জনি, রনি ও বাসার গৃহকর্মী সুমী।
রোববার মামলার অভিযোগপত্র আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আবুল খায়ের মাতব্বর।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঐশী ও তার দুই বন্ধুকে অভিযুক্ত করে একটি ও অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় বাসার গৃহকর্মী সুমীর জন্য আলাদা চার্জশিট দেয়া হচ্ছে।
চার্জশিটে বলা হয়েছে, ঐশী একাই হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে। হত্যার আগে মা-বাবাকে ৬০টি ঘুমের ট্যাবলেট মিশ্রিত কফি খাইয়েছিল। রাসায়নিক পরীক্ষায় ঘুমের ওষুধে নাইট্রাস, টেনিন ও ট্রমাজিপাম-৩-এর উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে। কফি খাওয়ানোর মগটিও জব্দ করা হয়েছে।
এছাড়া স্বপ্না রহমানের ব্রোঞ্জের রক্তমাখা চুড়ি ও ঐশীর রক্তমাখা কাপড়ের রক্তের সঙ্গে খুনির (ঐশী) রক্তের মিল পাওয়া গেছে। মামলার বিভিন্ন আলামত সংগ্রহে আটটি জব্দ তালিকা করা হয়েছে। গৃহকর্মী সুমী ছাড়া ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে নিহত দম্পতির ছোট ছেলে ঐহী রহমানের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে।  
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৪ আগস্ট রাজধানীর চামেলীবাগে নিজ বাসার বেডরুমে পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান ও স্ত্রী স্বপ্না রহমান নৃশংসভাবে খুন হন।
[b]ঢাকা, ৯ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেবি [/b]