লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ৫ নম্বর চন্ডিপুর ইউনিয়নের ফতেহপুর ইসলামীয়া আলিম মাদ্রাসার অফিস সহকারী মাহামুদুল হাসান মামুন বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী ও নবীকে কটুক্তি করে নিজ ফেইজবুক আইডিতে পোস্ট করেন। উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও সম্মিলিত গ্রামবাসী মাহামুদুল হাসানকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোর্পদ করে।
আজ বুধবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।মাহামুদুল হাসান মজুপুর গ্রামের পণ্ডিত বাড়ির মাওলানা আব্দুল হকের ছেলে।
সুত্রে জানায়, ফতেহপুর জেইউ ফাজিল মাদ্রাসার অফিস সহকারী মাহামুদুল হাসান মামুন তার ব্যবহৃত ফেইজবুক আইডিতে (মামুন পণ্ডিত) বুধবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিশ্ব নবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) কটুক্তি করে একটি পোস্ট দেন।
পোস্ট দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি রাকিবুল হাসান মাসুদ প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে জরুরি সভা ডেকে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নেয়।
এসময় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল মাল ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জিএস নজরুল ইসলাম, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সহেল চৌকিয়ার নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হয়ে পোস্টের ব্য্যাখ্যা দাবি করেন।
এসময় মাহামুদুল হাসান নিরবতা পালন করায় ক্ষুব্ধ নেতাকর্মী ও সম্মিলিত গ্রামবাসী তাকে গণপিটুনি দেয়।
মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি রাকিবুল হাসান মাসুদ বলেন, ফেইজবুকে পোস্টটি দেখা মাত্রই আমি মাদ্রাসাতে উপস্থিত হয়ে বিষয়গুলো জেনে রেজুলেশন খাতায় লিখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করি। এরই মধ্যে উত্তেজিত গ্রামবাসী ও ছাত্রলীগ নেতারা তাকে মারধর করেছে।
অভিযুক্ত মাহামুদুল হাসান মামুন বলেন, আমার ফেইজবুক আইডি হ্যাকাররা হ্যাক করে পোস্টটি করেছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবু ইউসুফ বলেন, অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ মো. জাফর আহম্মেদ বলেন, গণপিটুনির খবর শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে উদ্ধার ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছি। তার বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।
এমএ