একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সাবেক কৃষি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার বেলা আড়াইটার মধ্যে ট্রাইব্যুৗনালে হাজির না হলে তার জামিন বাতিল করে দেয়া হবে।
এরআগে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের ধার্য দিনে আসামীপক্ষের সাক্ষীর তালিকা ও ডকুমেন্ট জমা দেয়ার জন্য আরও ২ সপ্তাহ সময় চেয়েছিল। এসময় ট্রাইব্যুনাল আসামীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ৯ মার্চ ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।
ভুলের বশে আসামী কায়সার ও আইনজীবী এজলাস ত্যাগ করে চলে যায়। এদিকে নির্ধারিত থাকায় কায়সারের বিরুদ্ধে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপপনের সময় আসামী ও আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় আড়াইটার মধ্যে কায়সারকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেন। অন্যথায় তার জামিন বাতিল হয়ে যাবে।
মঙ্গলবার চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের  আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন।
২০১৩ সালের ১১ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের ১৮টি অভিযোগ দাখিল করেন রাষ্ট্রপক্ষ।
২০১৩ সালের ১৫ মে বুধবার কায়সারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। এরপর ২১ মে মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ৪টায় কায়সারকে রাজধানী অ্যাপলো হাসপাতাল থেকে গ্রেফতারের করে হাজির করা হলে ট্রাইব্যুনাল তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন ট্রাইব্যুনাল।
এরপর তার পক্ষে করা জামিন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩০ জুলাই কায়সারকে শর্ত সাপেক্ষে তাকে জামিন দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল-২।
[b]ঢাকা, জিই মার্চ ৪ (টাইমনিউজবিডি.কম)
[/b]