দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মূল হোতাসহ ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে গাজীপুর ও মুন্সীগঞ্জে পৃথক অভিযান তাদের আটক করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী সুমন ওরফে রফিক ও জনি ছাড়াও অন্যরা হলেন,সিএনজি সুমন, আব্দুল মজিদ, শাহিদা, মুক্তা ও রানী।

এদের মধ্যে গাজীপুরের মির্জাপুর বাজার থেকে সুমন ও মুন্সীগঞ্জের শ্রীপুর উপজেলার কাঁঠালবাড়িয়ায় নিজ বাড়ি থেকে জনিকে আটক করা হয়েছে।

আটকের পর শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডিএমপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা জেলা পুলিশের এসপি হাবিবুর রহমান, এএসপি মোনালিসা ও এএসপি কাজী লিমা।

সংবাদ সম্মেলনে এসপি হাবিবুর রহমান জানান, মোটরসাইকেল চুরি ও নবাবগঞ্জের জুরাইন বাজারে স্বর্ণের দোকানে লুণ্ঠিত মালামালের টাকা ভাগবাটোয়ারা এবং সুমনের প্রথম স্ত্রী লাকীর সঙ্গে নিহত সাজুর অবৈধ সম্পর্কের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

তিনি আরও বলেন, এদের কোন দলনেতা ছিল না। এরা সবাই সমঝোতা করে ডাকাতি ও ছিনতাই করতো। নিহত সাজুকে কেরানীগঞ্জে বাসা ভাড়া নিয়ে দেয়ার সময় সুমন ওই বাড়ির কেয়ারটেকারকে তার নাম বলেছিল রফিক। তবে তার আসল নাম সুমন।

এর আগে সকাল ১১টায় ডিএমপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আটকদের ফটোসেশনের একপর্যায়ে জনি বলেন, 'কেউ পারে নাই, আমি দেহাই দিছি'

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জনি বলেন, ওই (নিহত সাজু) বেয়াদবি করেছে, শয়তানী করেছে তাই তাকে হত্যা করেছি'।

শিশু দুটিকে কেন হত্যা করা হয়েছে জানতে চাইলে জনি জানায়, একটা বাচ্চাকে জিনে আছর করেছে। জিনে তো আর তাকে মারবে না, তাই তাকে হত্যা করা হয়েছে।

ঢাকা, জেইউ, ২৬ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এআর