গাইবান্ধা ও নাটোরে নির্বাচনী সহিংসতায় আজ সোমবার আরও দুজনের মৃত্যু হলো। এ নিয়ে ছয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে প্রাণ গেল ১১৮ জনের।
জেলার ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নে পরাজিত চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের হামলায় আহত আবদুর রহমান (৫৫) বিকেলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি গজারিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত সদস্য আবদুল গণি মিয়ার বড় ভাই।
পুলিশ জানায়, ৭ জুন ষষ্ঠ দফায় ফুলছড়ি উপজেলার ছয়টি ইউপিতে নির্বাচন হয়। ওই দিন সন্ধ্যায় ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নে জাতীয় পার্টি সমর্থিত পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী ইউনুস আলী ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী হাছেন আলীর সমর্থকদের হামলায় আবদুর রহমান, ফুলছড়ি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জামাল উদ্দিনসহ পুলিশের পাঁচ সদস্য এবং ওই ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত সদস্য আবদুল গণি মিয়াসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে ইউপি সদস্য আবদুল গণি মিয়া ও তাঁর বড় ভাই আবদুর রহমানকে ওই দিন রাতেই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ আবদুর রহমানের মৃত্যু হয়।
ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল বাশার মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হামলার ঘটনায় ৩২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও পাঁচ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা হয়েছে। ফুলছড়ি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। ওই মামলায় আজ বিকেলে জহুরুল ইসলাম নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এমআর





