বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নয়াপল্টনে   দু’টি ‘হাতবোমা’র বিস্ফোরণে ৭ ছাত্রদলকর্মী ও এক পথচারী গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার বেলা ১টা ৪০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে  চিকিৎসা চলছে।

আহতরা হলেন-জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদভূইয়া, ছাত্রদলকর্মী তুহিন (২০), নজরুল (২৩), ঢাকা কলেজ ছাত্রদলকর্মী রাসেল (২২), রাসেল (২২), মোরাদ হোসেন হিরা, ঢাকা পলিটেকনিক্যাল কলেজের নাঈম (২৩)ও অপর ছাত্রদলকর্মীর নাম পাওয়া যায়নি। এছাড়া ৬৫ বছর বয়সের ইসাসির নামের একপথচারী আহত হন। আহতদের বেশিরভাগেরই পা জ্বলসে গেছে। এর মধ্যে হিরার পায়েরদুইটি আগুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

পল্টন থানার ওসি মোর্শেদ আলম বাংলামেইলকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুইটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এখনো কাউকে আটক করা যায়নি।

এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকট শব্দে দু’টি ‘হাতবোমা’র বিস্ফোরণে আটজন আহত হয়েছেন। তাদের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

এর আগে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দু’টি ককটেল বিস্ফোরণে দুই পথচারী সামান্য আহত হন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, হঠাৎ করেই কার্যালয়ের সামনে বিকট শব্দে ককটেলেরবিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় লোকজন ভয়ে পালাতে থাকে। আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েকার্যালয়ের আশপাশে থাকা মানুষ।

ককটেল বিস্ফোরণের পরই পুলিশ সদস্যরা নড়েচড়ে বসেন এবং কোথায় থেকে কে এইককটেল নিক্ষেপ করলো তা খোঁজার চেষ্টা করে। কিন্তু কিছুক্ষণ পর উল্টো ‘হাতবোমা’র বিস্ফোরণ ঘটলো।

একে