রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, রূপালী ও জনতা ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা’সহ বিভিন্ন পদে নিয়োগ পরীক্ষার কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে নিয়োগ পরীক্ষা কেন বাতিল করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।
আজ (রোববার) হাইকোর্টের বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট রাশিদুল হক খোকন। তার সঙ্গে ছিলেন- অ্যাডভোকেট তানজিম আল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।
শুনানি শেষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট রাশিদুল হক খোকন এ তথ্য জানান।
আগামী শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির অধীনে সমন্বিতভাবে এসব ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।
এর আগে বগুড়ার আসাদুজ্জামান, কুমিল্লার আবু বকর’সহ ২৮ জন পরীক্ষার্থী নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন।
রাষ্ট্রয়াত্ব তিনটি ব্যাংক ২০১৬ সালে প্রজ্ঞাপন জারি করে। নিয়োগ পরীক্ষা না নিয়ে পরের বছর আবার প্রজ্ঞাপন জারি করায় আমরা রিট আবেদন করি। ওই রিটের শুনানি নিয়ে আদালত ২০১৬ সালের প্রজ্ঞাপনে যারা আবেদন করেছেন তাদের পরীক্ষা কেন পরের প্রজ্ঞাপনের আগে নেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন।
এই রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ২০১৭ সালের প্রজ্ঞাপনে সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। রাষ্ট্রায়ত্ত ৮ ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার পদে নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ১২ জানুয়ারি।
এমবি





