বহু আলোচিত নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের অবৈধ অর্থ-সম্পদের অনুসন্ধানে নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকা চষে বেড়াচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্মকর্তারা।
গত ২৯ মে দুদক তার সম্পদ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। এছাড়া মিডিয়ায় প্রকাশিত নূর হোসেনের স্থাবর অস্থাবর সম্পদের পরিসংখ্যানের বাইরে আরও কি পরিমান অবৈধ সম্পদ রয়েছে তার অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক কর্মকর্তারা।
এদিকে নাম না প্রকাশের শর্তে দুদকের একাধিক সূত্র জানায়, সেভেন মার্ডার মামলার প্রধান আসামি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি নূর হোসেন গত দুই দশকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছে। তার ব্যবসা ও সম্পত্তি ভারত, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া পর্যন্তও বিস্তৃত রয়েছে। এমন কোনো অপরাধ নেই যা নূর হোসেন করেননি।
জানা যায়, ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী এ নূর হোসেন সড়ক ও যোগাযোগ খাতে মাদক পরিবহন, ব্যবসা, ট্রাকের তেল চুরি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি নদী দখল , সিদ্ধিরগঞ্জ-ফতুল্লায় অবৈধ বালুর ব্যবসা, চিটাগাং রোড ট্রাক স্ট্যান্ডে বছরের পর বছর ধরে চলা যাত্রার নামে অশ্লীল নৃত্য এবং জুয়ার আসর থেকে তিনি উপার্জন করেন এ অর্থ। তার বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ-সম্পদ অনুসন্ধানে নেমে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত বিপুল সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুদক।
নূর হোসেনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান সম্পর্কে জানতে চাইলে দুদকের কমিশনার মো: সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বলেন, দুদকের টিম বিষয়টি নিয়ে মাঠে ময়দানে কাজ করছে। পরে তার বিবরণী চাওয়া হবে। নূর হোসেন সম্পদের বিবরণী দাখিল করলে,তার অবৈধ সম্পদের বিষয়টি প্রমাণিত হবে। তখন তার বিরুদ্ধে দুদক আইনে মামলা করা হবে।
ঢাকা, একে, ১৮ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ





