নির্যাতনের মামলায় জাতীয় দলের ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেন ও তার স্ত্রী জেসমিন জাহান নৃত্যর পক্ষেই আদালতে সাক্ষী দিল গৃহকর্মী মাহফুজা আক্তার হ্যাপি।
আজ বুধবার ঢাকার ৫ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তানজিলা ইসমাইলের আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দেয় হ্যাপি। ৩১ আগস্ট পরবর্তী শুনানির জন্য তারিখ ধার্য করা হয়েছে।
আজ আদালতে উপস্থিত ছিলেন ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেন ও তার স্ত্রী জেসমিন জাহান।
গৃহকর্মী মাহফুজা আজ আদালতকে বলে, ‘আমি ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেনের বাসায় কাজ করতাম। সাত মাস কাজ করেছিলাম। কাজ করতে ভালো লাগত না। এ জন্য শাহাদাতের স্ত্রী বকাঝকা করত। দুর্ঘটনায় আমার পা ভেঙে যায়। এ জন্য চিকিৎসা নিই। আসামিরা আমাকে কোনো রকম খুন্তির ছ্যাঁকা দেননি। আগে মানুষের পরামর্শে এই মামলা করি। আমাকে কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করে নাই। আমি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডাক্তারের কাছে কিছু বলছি কি না, আমার খেয়াল নেই।’
মাহফুজার এই জবানবন্দির পর রাষ্ট্রপক্ষ তাকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করেন। তাকে জেরা করেন সরকারি কৌঁসুলি আলী আজগর স্বপন।
গৃহকর্মী মাহফুজাকে নির্যাতনের অভিযোগে ক্রিকেটার শাহাদাত ও তার স্ত্রী জেসমিনের বিরুদ্ধে গত বছরের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন খন্দকার মোজাম্মেল হক। ওই বছরের ২৯ ডিসেম্বর এই মামলায় পুলিশি তদন্ত শেষে শাহাদাত ও জেসমিনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি মামলাটির অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত। এই মামলায় জেসমিনকে মালিবাগে তার বাবার বাসা থেকে ৩ অক্টোবর গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন আদালত তার রিমান্ড ও জামিনের আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ৫ অক্টোবর শাহাদাত আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকেও কারাগারে পাঠানো হয়। পরে শাহাদাতকে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। পরে এই দম্পতি জামিনে মুক্তি পান।
এমবি





