স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলা মেডিকেলে যন্ত্রপাতি ও নানা সামগ্রি ক্রয় সংক্রান্ত পরিশোধিত বিল ভাউচারের সত্যায়িত নথিপত্র চেয়ে ৬ জেলা সিভিল সার্জনকে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার দুদকের উপ পরিচালক আবদুছ সাত্তার সরকারের দফতর থেকে ওই ৬ জেলার সিভিল সাজর্নের দফতরে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে আগামী ১৬ মার্চের মধ্যে ' নোয়াখালী,লক্ষিপুর, খুলনা, চাপাই নবাবগঞ্জ, নেত্রকোনা ও গাজীপুর জেলা সিভিল সার্জনকে দুদকের চাহিদা মোতাবেক রেকর্ডপত্র সরবরাহ করতে বলা হয়েছে।
এদিকে অভিযোগ রয়েছে, স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপ সচিব আবদুল মালেক এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাসপাতাল-২ শাখার পশাসনিক কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলা হাসপাতালের যন্ত্রপাতি ও নানা সামগ্রি ক্রয় দেখিয়ে বকেয়া বিল প্রদানের নামে জালিয়াতি, ভুয়া বিল প্রদানের মাধ্যমে প্রায় ৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
দুদক সূত্র মতে, স্বাস্থ্য অধিদফতরের ওই ২ কর্মকর্তা গত ২০১৩-১৪ অর্থ বছরের ৪৮৬৮ নম্বর কোর্ডের বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে (২০০৮০৯ এবং ২০১২-১৩) অর্থ বছরের বকেয়া দেখিয়ে ভুয়া বরাদ্দ ও ব্যয় মঞ্জুরি প্রদানের মাধ্যমে ৫ কোটি ৯২ লাখ ৬২ হাজার ২শত টাকা নিজেরা আত্মসাৎ করেন।
এদিকে গত ১৫ জানুয়ারি দুদক প্রধান কার্যালয়ে তাদের এ জালিয়াতি এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা হয়।
পরে ২৫ ফেব্রুয়ারি দুদকের ওই অভিযোগ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য একটি শক্তিশালী টিম গঠন করে।
দুদকের পরিচালক মনিরুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে এটিমের নেতৃত্বে রয়েছে, উপ পরিচালক (অনু.ও তদন্ত) আবদুছ সাত্তার সরকার এবং সহকারি পরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম। তাদেরকে অনুসন্ধান করে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
আর সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থেই দুদকের এ টিম বিভিন্ন জেলার সিভিল সার্জনদের দফতরে সংরক্ষিত' মেডিকেলের যাবতীয় ক্রয় সংক্রান্ত রেকর্ডপত্র তলব করেছেন বলে জানা যায়।
একে





