মাওলানা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর যাবজ্জীবন বা আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা তো দূরের কথা একদিনের সাজাও হতে পারে না বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম।

আজ (বুধবার) সকালে মাওলানা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীকে আমৃত্যু মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেয়ার পর এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

অ্যাডভোকেট তাজুল অভিযোগ করেন, রায়ে তাদের দেয়া তথ্য উপাত্ত যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি।

তবে, রায়ের বিস্তারিত হাতে পাওয়ার পরই পরবর্তী কার্যক্রম অর্থাৎ রিভিউ পিটিশনসহ পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম।

মাওলানা সাঈদীর এই আইনজীবী বলেন, এই মামলায় সাঈদী সাহেবের পক্ষে নিজের ভাইয়ের হত্যাকান্ডের ব্যাপারে সাক্ষী দিতে এসে আদালত চত্বর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে অপহৃত হয়েছিলেন সুখরঞ্জন বালি এবং আজও তিনি কলকাতার জেলে বন্দী। অথচ সেই মামলায়ও তাকে সাজা দেয়া হলো।

এই মামলায় স্কাইপ কেলেঙ্কারির মত মহা কেলেঙ্কারী থেকে বিচারক-প্রসিকিউশন ও তৃতীয় পক্ষের অবৈধ যোগসাজশের বিষয়টিও তারা প্রমান করতে সক্ষম হয়েছিলেন। সেফ হাউস কেলেঙ্কারী থেকে সাক্ষীদের মিথ্যা কথা শিখিয়ে দেয়া এবং উপস্থিত সাক্ষীকে পলাতক ঘোষণার মত কেলেঙ্কারীর ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে রায়ে উপেক্ষা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন অ্যাডভোকেট তাজুল।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইব্রাহিম কুট্টি হত্যার দায়ে ১৯৭২ সালে ভিন্ন ব্যক্তির নামে মামলা হওয়া সত্তেও ৪০ বছর পর তার দায় সাঈদী সাহেবের কাধে চাপানো হয়েছে। সে বিষয়ে তারা আদালতে যথাযথ তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করেছেন।

অ্যাডভোকেট তাজুল বলেন, মাওলানা সাঈদীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো যেভাবে মিথ্যা প্রমান করতে তারা সক্ষম হয়েছেন তাতে তার বেকসুর খালাস হওয়া উচিত ছিল। রিভিউ আবেদনের মাধ্যমে তারা ন্যায় বিচার পাবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, কেবি