সামাজিক এবং রাষ্ট্রিয়ভাবে জঙ্গীরা চাপের মধ্যে রয়েছে বলে তারা প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করতে পারছে না। ফলে তারা ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে ব্যাংক ডাকাতের প্রতি ঝুকেছে। এমনটিই বলছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণ পদ রায়।
রবিবার বিকালে বনশ্রী এবং সূত্রাপুর এলাকা থেকে নয় জঙ্গী সদস্যকে গ্রেফতারের বিষয়ে সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
বনশ্রী এলাকা থেকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন, কাজী ইফতেখার খারেদ ওরফে ইফতি, ফাহাদ বিন নুরুল্লাহ কাসেমী ওরফে কায়েস, মো. রাহাত, দ্বীন ইসলাম, আরিফুল করিম চৌধূরী ওরফে আদনান এবং মো. নুরুল ইসলাম।
অন্যদিকে সূত্রাপুর এলাকা থেকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মাওলানা নুরুল্লাহ কাসেমী, মো. দেলোয়ার হোসেন এবং মো. ইয়সিন আরাফাত।
গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ৫ কেজি বিস্ফোরক, বোমা তৈরীর সরঞ্জামাদি, বোমা তৈরীর গবেষণাগার, ৮টি বোম, ৬টি চকলেট বোম, ৪টি চাপাতিসহ উগ্রপন্থি কিছু বই উদ্ধার করা হয়।
কৃষ্ঞ পদ রায় বলেন, বাংলাদেশের জনগণ এবং প্রশাসনের চাপের মুখে তারা বিভিন্ন নামে তারা সংগঠন চালিয়ে আসছিলো। সেই ধারাবাহিকতায় তারা “বাংলাদেশ জিহাদি গ্রুপ” নামে নতুন একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করার কাজ করছিলো। সেই লক্ষে অর্থের প্রয়োজনে তারা ব্যাংক ডাকাতির প্রতি তারা ঝুকে পড়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অন্তর্জাতিক জঙ্গী সংগঠনের সাথে তাদের যোগাযোগ থাকলেই যে তারা অর্থ সংকটে পড়বে না এটা বলা যায় না। তবে এই ক্ষেত্রে তাদের কতটুকু সম্পর্ক আছে তা আমরা খতিয়ে দেখছি।
তিনি বলেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের(ডিবি দক্ষিণ) এবং পুলিশের বিশেষ টিমের অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ ব্যপারে খিলগাও ও সূত্রাপুর থানায় ৪টি মামলা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এমআর/এসএইচ





