নীলফামারী সদর উপজেলার রামগঞ্জে বর্তমান সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের গাড়ি বহরে হামলার মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ।

রোববার নীলফামারী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নীলফামারী সদর থানার এসআই মোস্তাফিজুর রহমান।

অভিযোগ পত্রে নীলফামারী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক খায়রুল আনাম ও সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আবু হেলালসহ বিএনপি-জামায়াতের ২০৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর সদর উপজেলার পলাশবাড়ী, লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে যান তৎকালীন সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর। পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে রামগঞ্জ বাজারে এলাকাবাসীর সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে নূরের সফর সঙ্গীরা।

সংঘর্ষে একজন জামায়াত কর্মী, কৃষকলীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মী সহ অন্তত ৫ জন নিহত হয়।

এ ঘটনার পর পরবর্তী এক মাসে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন বিএনপি’র সেক্রেটারিসহ বিএনপি জামায়াতের ৫ জনের লাশ বগুড়াসহ নীলফামারী জেলার বিভিন্ন স্থানে পাওয়া যায়।

এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে অন্তত ৩ জন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়।

সংঘর্ষের ঘটনায় নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) বাবুল আখতার বাদী হয়ে ১৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও দেড়শ’ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে নিহত এক কৃষকলীগ নেতার ভাই আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখিত মামলা দুটির দীর্ঘ তদন্ত শেষে রোববার অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।

নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান পাশা জানান, দীর্ঘ তদন্ত শেষে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক খায়রুল আনাম ও সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আবু হেলালসহ ২০৭ জনের বিরুদ্ধে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোস্তাফিজুর রহমান এবং এ মামলায় এখন পর্যন্ত ৬০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জেএ