মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীবের পরিবারকে দুই মাসের মধ্যে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
একইসঙ্গে রাজীবের দুর্ঘটনার দায় ওই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনকে নিতে হবে বলেও পর্যবেক্ষণে বলেছেন আদালত।
রাজীবের পরিবারকে যে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছে তার ২৫ লাখ টাকা দিতে বলা হয়েছে বিআরটিসিকে ও বাকি ২৫ লাখ টাকা দিতে বলা হয়েছে স্বজন পরিবহনকে।
বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
এর আগে গত ৩ এপ্রিল রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় দু’বাসের রেষারেষিতে হাত কাটা পড়ে কলেজছাত্র রাজীবের। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর ৪ এপ্রিল রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
হাইকোর্ট এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের রুল জারিসহ রাজীবের চিকিৎসার খরচ দু’ বাস মালিক বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনকে বহনের নির্দেশ দেন। রুলে তাকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে এক কোটি টাকা দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, সাধারণ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান আইন কঠোরভাবে কার্যকর করতে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না এবং প্রয়োজনে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে আইন সংশোধন বা নতুন করে বিধিমালা প্রণয়নের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চান হাইকোর্ট।
এ রুল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় গত ১৬ এপ্রিল দিনগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রাজীব।
এএস





