দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট বা কাউন্সেলর নিয়োগে পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ রোববার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেন। শিক্ষাসচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান, জনপ্রশাসন সচিব, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সচিবসহ ৬ বিবাদীকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ সংক্রান্ত এক রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার এই রুল জারি করেন।
জনপ্রশাসন সচিব, শিক্ষা সচিব, ইউজিসি চেয়ারম্যান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
হাইকোর্টের রুল জারির পর আইনজীবী ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া বলেন: দিনদিন শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিক অবক্ষয়ের বিভিন্ন দৃষ্টান্ত লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং বিভিন্ন সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে। তাই আমি মনে করেছি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেই শিক্ষার্থীদের একটা গাইডলাইন পাওয়া দরকার।
যেটা পেলে শিক্ষার্থীদের মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত হবে। সেজন্য আমি প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাউন্সেলর অথবা ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে একটি রিট করি। হাইকোর্ট সেই রিটের শুনানি নিয়ে আজ রুল জারি করলেন।
এএস





