পাবনার বেড়া পৌরসভার নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করতে স্থানীয় সরকার সচিব ও নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়া আগামী তিন মাসের মধ্যে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে দায়ের করা এ রিট আবেদনের রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি মো.এমদাদুল হক ও বিচারপতি মুহাম্মাদ খুরশীদ আলম সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খুরশীদুল আলম।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ১৯৯৯ সালে এ পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নিয়ম অনুযায়ী ৫ বছর মেয়াদ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবনে মেয়র। কিন্তু বিগত ১৫ বছরেও এখানে আর কোনো নির্বাচনের ব্যাবস্থা করেনি নির্বচান কমিশন ও স্থানীয় সরকার। যার ফলে ১৯৯৯ সালের নির্বাচিত মেয়রই দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
জানা যায়, এই পৌরসভার বর্তমান মেয়র আব্দুল বাতেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকুর ছোট ভাই। তিনি বিভিন্ন কাজের অযুহাতে দেখিয়ে উপর মহলের সাথে আতাত করে এই পৌরসভার নির্বাচন স্থগিত করে রাখেন।
তার বিরুদ্ধে অভিযো আছে তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজের অযুহাতে দেখিয়ে উপর মহলের সাথে আতাত করে এই পৌরসভার নির্বাচন স্থগিত করে রাখেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরবর্তিতে মেয়রের পদের বৈধতা চ্যালেঞ্চ ও নির্বাচনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হলে শুননি করে গত বছরের ৬ এপ্রিল আদালত একটি রুল জারি করেন।
রুল শুনানিতে রিটকারির আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ আদালতে বলেন, মাই লর্ড স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন ২০০৯ (৮) ধারা অনুযায়ী পৌরসভা মেয়রের মেয়াদ ৫ বছর। এ আইনের ২১ ধারায় নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচনের ব্যাবস্থা করার কথা উল্লেখ আছে। কিন্তু এ সকল কিছু বাদ দিয়ে এই পৌরসভার মেয়র আব্দুল বাতেন ৫ বছরের কাছে দীর্ঘ্ ১৫ বছর একইপদে বহাল আছেন, যা অবৈধ ও সংবিধানের পরিপন্থী । রুলের শুনানি শেষ করে আদালত এ আদেশ দেন।
কেএইচ





