৭১'র মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আপিলের চূড়ান্ত রায়ে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় কার্যকরে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। এখন শুধু সরকারের নির্বাহী আদেশের অপেক্ষায় মাত্র।
কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্র জানায়, কামরুজ্জামানের ফাঁসির রায় কার্যকর করার জন্য কারাগারের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। স্থায়ী ফাঁসির মঞ্চ তৈরি ও ধোয়া-মোছার কাজ শেষ হয়েছে।
সেখানে সোমবার সকালে দুইবার ফাঁসির মহড়া দেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও কমপক্ষে ২০ জন জল্লাদের তালিকা কারা কর্তৃপক্ষের হাতে রয়েছে। তাদের মধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জল্লাদ জনি, রাজু, পল্টু, আলমগীর, এরশাদ, সাত্তার ও রানা রয়েছেন। জনি মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকরে সহযোগীর দায়িত্ব পালন করেছেন। জল্লাদের তালিকায় তার নাম প্রথম স্থানে রাখা হয়েছে।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার নেছার আলম সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জল্লাদের বাইরে কাশিমপুর, ময়মনসিংহ ও কুমিল্লা কারাগারের জল্লাদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ফাঁসির মঞ্চ ও রশি প্রস্তুত রয়েছে। ফাঁসি কার্যকরের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে।
কারাগার সূত্র জানায়, কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকর করার ক্ষেত্রে বিদ্যমান জেল কোড গুরুত্ব পাবে না। সেক্ষেত্রে সরকারের নির্বাহী আদেশ প্রয়োজন। এ জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে একটি আদেশ আসতে হবে। সে আদেশ আসলেই ফাঁসি কার্যকর করা হবে।
এ বিষয়ে সিনিয়র জেল সুপার ফরমান আলী বলেছেন, "আমাদের কাছে নির্বাহী আদেশ আসলেই আমরা ফাঁসির আদেশ কার্যকর করব।"
কেএ





