নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের ঘটনায় দায়েরকৃত পৃথক দুই মামলার মধ্যে একটির দাখিলকৃত চার্জশিটের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম শফিকুল ইসলাম আদালতে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসনে খান জানান, এক মামলার বাদী অ্যাডভোকেট চন্দন সরকারের মেয়ের জামাই বিজয় কুমার পালের আসতে দেরি হওয়ায় ৮ জুন শুনানির নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত।

অপর মামলার বাদী নিহত কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি দাখিলকৃত চার্জশিটে নারাজি প্রদান করেন। এ বিষয়ে ৮ জুন আদালত আদেশ দিবেন।আদালতে এ সময় চার্জশিট ভূক্ত ২২ আসামিসহ ৩০ জন উপস্থিত ছিলেন।

গত ৮ এপ্রিল চাঞ্চল্যকর এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওসি মামুনুর রশীদ মণ্ডল আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম, আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহীমকে অপহরণ করা হয়। এর পর ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদীতে ৬ জন ও ১ মে একজনের লাশ পাওয়া যায়।

এ ঘটনার পর পরই নূর হোসেন ভারতে পালিয়ে যান। গত বছরের ১৪ জুন কলকাতা বিমানবন্দর সংলগ্ন কৈখালী এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। নূর হোসেন এখন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কারাগারে আটক রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে বিচার চলছে।

এআর