রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সাবেক প্রশাসক জিয়াউল হক টুকু হত্যার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে।
সোমবার বিকেলে জিয়াউল হক টুকু স্ত্রী নুরুন নাহার লতা বাদী হয়ে বোয়ালিয়া থানায় মামলাটি করেছেন।
এ ঘটনায় পুলিশ জসীম উদ্দিন ও রবিউল ইসলাম নামের দুইজনকে গ্রেফতার করেছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, রোববার বিকেলে জিয়াউল হক টুকু অফিসে ছিলেন। সেখানে তার সঙ্গে ছিলেন ঢাকার মতিঝিলের নয়ন, তার বন্ধু নগরীর বোসপাড়া এলাকার ডা. সালাউদ্দিনের ছেলে কানাডা প্রবাসী তরিকুল ইসলাম, সাহেববাজার এলাকার কাপড় ব্যবসায়ী জসীম উদ্দিন, নগরীর মহিষবাথান এলাকার ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম ও আরো একজন।
পরে নয়ন ও তরিকুল বিভিন্ন বিষয়ে তর্কে জড়িয়ে জিয়াউল হক টুকুর পিস্তল নিয়ে তাকে পেছন থেকে গুলি করে। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদত হোসেন খান জানান, এ ঘটনায় জসীম উদ্দিন ও রবিউল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
রোববার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে নগরীর কাদিরগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত টুকুর নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ইষ্টি কন্সট্রাকশনে গুলিবিদ্ধ হন আওয়ামী লীগ নেতা টুকু। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
রাজশাহী নগর পুলিশ কমিশনার মো. শামসুদ্দিন জানান, জসীম ও রবিউল পুলিশকে জানিয়েছে, ঘটনার সময় নয়ন ও টুকু এক স্থানে ছিলেন। তার পাশের ঘরে অন্যরা ছিলেন। হঠাৎ নয়ন গুলিবিদ্ধ টুকুকে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘর থেকে বের করে আনে।
এদিকে টুকুর জানাজার নামাজ সোমবার সকাল ১০টায় নগরীর বিন্দুর মোড় কামরুজ্জামান চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সদর আসনের সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশা, সাবেক মেয়র এইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমুখ।
ওএফ





