পুলিশে ৩ চাকরি দেয়ার নামে ৩ জনের কাছ থেকে ৭ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণ মামলায় র্যাব সদস্যসহ ৪ জনকে জিজ্ঞসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত ঘুষ দানকারী ৪ জনকে জিজ্ঞসাবাদ করেন।
এরা হলেন- র্যাব-৬ এর সৈনিক মো. নাঈম (সৈনিক নম্বর ১২২৯৮৭৯), গোপালগঞ্জ থানার পারকুশলী গ্রামের মো. শিমুল মোল্লা, একই এলাকার সালাউদ্দিন স্পেশালাইজ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শাহীন কাদের ও অন্বেষা ট্রেডিংয়ের কর্মচারী মো. এরশাদ শেখ।
জিজ্ঞসাবাদে তারা দুদক কর্মকর্তাদের কাছে ঘুষ লেন দেনের বিস্তারিত বিবরণী প্রকাশ করেন। তারা দুদককে জানান, ৩ জনকে পুলিশে চাকরি দেয়ার জন্য প্রত্যেকের কাছ থেকে ৯ লাখ টাকা করে ২৭ লাখ টাকা রফা দফা হয়েছিল।
তাদের কাছ থেকে প্রথম দফায় ৩ লাখ, দ্বিতীয় দফায় ৩ লাখ এবং তৃতীয় দফায় ১ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছে রাজারবাগ পুলিশ টেলিকমের বেতার চালক এস এম শামীম আল মামুন (কনস্টেবল নং-১৪৪)। পুলিশের এ কন্সটেবলের কথা মতো চাকরি হলে বাকি ২০ লাখ টাকা তাকে দেয়ার হতো। কিন্তু পুলিশ কন্সটেবল এস এম শামীম আল মামুন তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।
জানা যায়, ওই অভিযোগে দুদক ২৭ জুলাই রাজধানীর ওয়ারী (ডিএমপি) থানায় (মামলা নং-১৫) দায়ের করে। মামলার আসামি এস এম শামীম আল মামুন প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে লোকজনের কাছে নিজেকে পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়েছে। একই সঙ্গে লোকজনকে চাকরি দেয়ার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে নগদ ৭ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন।
একে, জেএ





