ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার মামলায় সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য পদ থেকে বহিস্কৃত আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার মাহমুদ আদনানের আদালত বুধবার এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
গত ২ অক্টোবর ঢাকার আইনজীবী শাহ আলম একই আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত ওইদিন মামলাটি আমলে নিয়ে আসামি লতিফ সিদ্দিকীকে বুধবার ১৫ অক্টোবর আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন। সমন অনুযায়ী তিনি বুধবার আদালতে হাজির না হওয়ায় বাদী অ্যাডভোকেট শাহ আলম আদালতে কাছে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন জানান।
শুনানি শেষে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে আগামী ২৩ নভেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।
জানা গেছে,গত ২৮ সেপ্টেম্বর রোববার বিকালে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের একটি হোটেলে নিউইয়র্কে বসবাসরত টাঙ্গাইলবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন লতিফ সিদ্দিকী। ওই মতবিনিময় সভায় তিনি বলেছেন, ‘আব্দুল্লাহর পুত্র মোহাম্মদ চিন্তা করলো, এ জাজিরাতুল আরবের লোকেরা কীভাবে চলবে? তারাতো ছিল ডাকাত। তখন সে একটা ব্যবস্থা করলো যে, আমার অনুসারীরা প্রতিবছর একবার একসঙ্গে মিলিত হবে। এর মধ্য দিয়ে একটা আয়-ইনকামের ব্যবস্থা হবে। আমি হজ আর তাবলিগ জামায়াতের ঘোরতর বিরোধী, জামায়াতে ইসলামীরও বিরোধী। তবে তার চেয়েও বেশি বিরোধী হজ ও তাবলিগ জামায়াতের। হজের জন্য ২০ লাখ লোক সৌদি আরবে গিয়েছে। এদের কোনো কাম নাই। এদের কোনো প্রডাকশন নাই। শুধু রিডাকশন দিচ্ছে। শুধু খাচ্ছে আর দেশের টাকা দিয়ে আসছে।
তাবলিগ জামায়াত প্রতি বছর ২০ লাখ লোক জমায়েত করে। নিজেদেরতো কোনো কাজ নেই। সারা দেশের গাড়ি-ঘোড়া তারা বন্ধ করে দেয়।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয় সম্পর্কে বলেন, ‘আপনারা কথায় কথায় জয় ভাইকে টানেন। জয় ভাই কে? সে বাংলাদেশ সরকারের কেউ না’।
উল্লেখ্য, তাবলিগ জামায়াত এবং প্রধানমন্ত্রী পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মোট ৬টি মামলা হয়। সবগুলো মামলায়ই তার বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত।
জেএ





