মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদকে নিয়ে মন্তব্য করায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় অভিযোগ আমলে নেওয়ার শুনানির জন্য আগামী ১২ জুলাই দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

আজ বুধবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লার আদালতে অভিযোগ আমলে নেওয়ার জন্য দিন নির্ধারণ ছিল। কিন্তু তাঁর পক্ষের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া সময়ের আবেদন করায় বিচারক তা মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ৫ এপ্রিল ঢাকার মহানগর হাকিম জাকির হোসেন টিপুর আদালতে খালেদা জিয়া তাঁর আইনজীবী সানাউল্লার মিয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। খালেদা জামিন নেওয়ায় মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় মহানগর দায়রা আদালতে পাঠানো হয়।

এ বছরের ২৫ জানুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মমতাজ উদ্দিন মেহেদী।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত বছরের ২১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘আজকে বলা হয় এত লাখ শহীদ হয়েছে, এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে।’

খালেদা জিয়া বক্তব্যে আরো বলেন, ‘তিনি (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে মুক্তিযুদ্ধ হতো না।’যা পরের দিন বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রচারিত হয়।

বাদী মামলার বিবরণে অভিযোগ করেন, আসামির এ ধরনের বক্তব্য শহীদদের অবমাননাসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সৃষ্টি ও এর ইতিহাসের বিরুদ্ধে নিন্দাবাদ, ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের অপরাধের শামিল। এ ধরনের বক্তব্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

ওএফ