বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজধানীর দারুসসালাম থানার নাশকতার আট মামলাসহ ১১ মামলার শুনানির জন্য আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।
রোববার ১১টি মামলার মধ্যে একটি মামলা অভিযোগপত্র গ্রহণের জন্য ও বাকি ১০ মামলা অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। মামলাগুলোর অধিকাংশই হাইকোর্টে স্থগিত আছে জানিয়ে সময়ের আবেদন করেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ সময় মঞ্জুর করে নতুন এ দিন ধার্য করেন।
মামলাগুলোর মধ্যে দারুসসালাম থানার নাশকতার ৮ মামলা, যাত্রাবাড়ি থানার একটি হত্যা মামলাসহ ২ মামলা ও রাষ্ট্রদ্রোহের একটি মামলা।
২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে’ খালেদা জিয়া বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক আছে। আজকে বলা হয়, এতো লাখ লোক শহীদ হয়েছে। এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে।’
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ না করে খালেদা জিয়া দাবি করেন, ‘তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা চান নি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে মুক্তিযুদ্ধ হতো না’।
খালেদা জিয়ার বক্তব্যকে দেশদ্রোহী অ্যাখ্যা দিয়ে ২০১৬ সালের ২৫ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক ড. মোমতাজ উদ্দিন আহমদ মেহেদী রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাটি দায়ের করেছিলেন।
এছাড়াও ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি যাত্রাবাড়ির কাঠেরপুল এলাকায় যাত্রীবাহি বাসে আগুন দিয়ে নুর আলম নামে এক যাত্রী হত্যার অভিযোগে যাত্রাবাড়ি থানায় ২ মামলা ও একই সালের বিভিন্ন সময় দারুসসালাম থানা এলাকায় নাশকতার অভিযোগ এনে দারুসসালাম থানায় আটটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল।





